হবিগঞ্জে বিজিবির পৃথক অভিযানে ২০ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য ও গরু জব্দ

Sadek Ali
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:৪৭ অপরাহ্ন, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৯:২২ অপরাহ্ন, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মদ, ইস্কফ সিরাপ, শাড়ি ও গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত ২৪ ঘণ্টায় হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন (৫৫ বিজিবি)-এর সিন্দুরখান, মনতলা, তেলিয়াপাড়া ও সাতছড়ি বিওপির টহলদল এসব অভিযান পরিচালনা করে। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ২০ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ টাকা।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ২২ আগস্ট ২০২৬ ভোর ৫টার দিকে ৫৫ বিজিবির সিন্দুরখান বিওপির টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সীমান্ত থেকে প্রায় ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সিন্দুরখান এলাকার সীমান্তবর্তী হুগলিয়া চা-বাগানে অভিযান চালায়। এ সময় চোরাকারবারিদের লুকিয়ে রাখা একটি সন্দেহজনক বস্তা তল্লাশি করে মালিকবিহীন অবস্থায় ১২১ পিস ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের শাড়ি জব্দ করা হয়।

আরও পড়ুন: কেবল অবকাঠামো নয়, পাহাড়ে মানবসম্পদ উন্নয়নই আসল: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন

একই দিন দুপুর ১টার দিকে তেলিয়াপাড়া বিওপির টহলদল তেলিয়াপাড়া চা-বাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাকারবারিদের লুকিয়ে রাখা মালিকবিহীন ২৬ বোতল ভারতীয় ইস্কফ সিরাপ জব্দ করে।

এদিকে, চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি বিওপির টহলদল সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অভিযান চালিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা দুটি ভারতীয় গরু জব্দ করে।

আরও পড়ুন: বগুড়া পাসপোর্ট অফিসে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ

অন্যদিকে, ২১ আগস্ট ২০২৬ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রামনগর ও কমলপুর সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে মনতলা বিওপির একটি টহলদল। এ সময় চোরাকারবারিদের লুকিয়ে রাখা সন্দেহজনক স্থানে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৮ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করা হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, জব্দকৃত মাদকদ্রব্য, শাড়ি ও গরু বিধি মোতাবেক সংশ্লিষ্ট মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে। যুবসমাজকে মাদকের ভয়াল গ্রাস থেকে রক্ষা এবং দেশের অর্থনীতিকে সুসংহত রাখতে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী জনগণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।