উলিপুরে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

Sanchoy Biswas
উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:৩৯ অপরাহ্ন, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৮:০৬ পূর্বাহ্ন, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে কুড়িগ্রামের উলিপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিনটি উপলক্ষে উলিপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

১ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে উলিপুর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচির সূচনা হয়। পরে দলীয় কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে দলে দলে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে খণ্ড খণ্ড মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, ক্ষুব্ধ স্থানীয়দের আগুনে পুড়ল মহিলা মাদ্রাসা

র‍্যালি শেষে উলিপুর উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সাবেক ছাত্র আবু জাফর সোহেল রানার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির নেতা ফি কবির কাজল, যুব নেতা নাজমুল, সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মঈন, খাইরুল। সঞ্চালনা করেন স্বপন কুমার সাহা।

বক্তারা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বিএনপি আজ দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও গণমানুষের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে দলের নেতাকর্মীদের ওপর চালানো দমন-পীড়ন, মামলা ও হামলার কথা স্মরণ করে বক্তারা বলেন, সকল প্রতিকূলতা পেরিয়ে দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে বিএনপি সবসময় রাজপথে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে হোটেলে আগুন, পর্যটকের মধ্যে আতঙ্ক

আলোচনা সভা শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ, দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দলের সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।