ঢাবি শিক্ষার্থীদের বৃত্তিতে এলিট গ্রুপের ২ কোটি টাকার ট্রাস্ট ফান্ড

Any Akter
ঢাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:২৬ অপরাহ্ন, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ৭:০২ অপরাহ্ন, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে ‘Elite Group Serajuddin and Rabeya Seraj Trust Fund’ নামে ২ কোটি টাকার একটি নতুন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। এ তহবিল গঠনে এলিট গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের পক্ষ থেকে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে প্রথম ধাপে ১ কোটি টাকার অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। বাকি ১ কোটি টাকা আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেওয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন সভাকক্ষে আয়োজিত চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

আরও পড়ুন: কুবির হলগুলোতে মশার উপদ্রব স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আবাসিক শিক্ষার্থীরা

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ, এলিট গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাহেদুর সিরাজ, পরিচালক শাদান সিরাজ, মো. মামুন-উর-রশীদ, সুরমা চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ট্রাস্ট ফান্ডটি গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুর রশীদ বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

যেসব শিক্ষার্থী পাবেন বৃত্তি

আরও পড়ুন: ভিসির বাসভবনের সামনে ঢাবি শিক্ষার্থীর অবস্থান

ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর শিক্ষার্থীদের এককালীন বৃত্তি দেওয়া হবে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই বৃত্তি কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া শিল্প-প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এলিট গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এলিট গ্রুপকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহযোগিতা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এলিট গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেলে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এতে তারা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারবেন।

উপাচার্য বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তহবিল সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে বেসরকারি খাতের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। এলিট গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে এলে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকরা উপকৃত হবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও সমৃদ্ধ হবে। ভবিষ্যতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে থাকার জন্য এলিট গ্রুপের প্রতি আহ্বান জানান উপাচার্য।