বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সংগঠক সৈয়দা তৈয়বা বানু মারা গেছেন

Any Akter
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:১৪ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫২ অপরাহ্ন, ০১ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সংগঠক সৈয়দা তৈয়বা বানু মারা গেছেন। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৫টায় রাজধানীর উত্তরার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।

সৈয়দা তৈয়বা বানু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশিষ্ট আইনজীবী সৈয়দ ফজলুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা ছিলেন। তার জন্ম হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রামশিরী জমিদার বাড়িতে। তার মামা হবিগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোহাম্মাদ ফয়সাল।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের কখনও ডাকে না: ওয়েব সভাপতি নাসরিন আওয়াল

তিনি সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ আতাউল বারীর সহধর্মিণী ছিলেন। আশির দশক থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিএনপি ঘরানার রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক কন্যা সন্তানের জননী। তার একমাত্র কন্যা সৈয়দা সাবিনা ইয়াসমিন। জামাতা বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও বাংলাবাজার পত্রিকার প্রধান বার্তা সম্পাদক সৈয়দ তারেক হাসান। সৈয়দা তৈয়বা বানুর মৃত্যুর সময় তার কন্যা ও জামাতা কানাডায় অবস্থান করছিলেন।

আরও পড়ুন: তৃতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করলেন নুরুন্নাহার নিম্নি

পারিবারিকভাবে তিনি একটি সুপরিচিত ও ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সদস্য ছিলেন। তার বড় খালু ছিলেন ডেইলি অবজারভারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক হামিদুল হক চৌধুরী।

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) বাদ জোহর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের একটি মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে উত্তরা সোসাইটি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তার মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাংলাবাজার পত্রিকার শোক

বাংলাবাজার পত্রিকা পরিবারের পক্ষ থেকে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও সংগঠক সৈয়দা তৈয়বা বানুর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। এক শোকবার্তায় পত্রিকার সম্পাদকমণ্ডলী মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে মহান আল্লাহর কাছে তার পরিবারকে এ শোক সইবার শক্তি দানের প্রার্থনা করা হয়।