রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ফিরছে ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি, ডিএমপির নির্দেশনা জারি

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৫৯ অপরাহ্ন, ১২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৪:৫৯ অপরাহ্ন, ১২ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসন এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনগুলোতে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। রোববার (১২ এপ্রিল) ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে সমন্বয় করে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সিগন্যাল লাইট স্থাপন করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও কিছু স্থানে এটি চালু করা হবে।

আরও পড়ুন: রাজধানীজুড়ে ঈদুল আজহার উৎসব, কোরবানিতে ব্যস্ত নগরবাসী

ডিএমপি জানিয়েছে, রাজধানীর প্রধান ৯টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে স্থায়ী সিগন্যাল বাতি স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর, হোটেল সোনারগাঁও, ফার্মগেট পুলিশ বক্স, বিজয় সরণি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সংলগ্ন ক্রসিং, জাহাঙ্গীর গেট এবং গুলশান-১ ও ২ নম্বর ক্রসিং।

এছাড়া মানিক মিয়া এভিনিউ, খেজুর বাগান, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর, মাজার রোড, আবুল হোটেল, মৌচাক ও রায় সাহেব বাজার মোড়ে অস্থায়ীভাবে সিগন্যাল লাইট বসানো হয়েছে। লাভ রোড ক্রসিংয়ে রাতের চলাচলের জন্য বিশেষ আলোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যু, ও কর্তৃপক্ষের নিদারুণ অবহেলা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন হাইকোর্ট ক্রসিং, কদম ফোয়ারা, মৎস্য ভবন, কাকরাইল মসজিদ, পুলিশ ভবন ও শাহবাগ এলাকায় সিগন্যাল স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে, যা শিগগিরই চালু হবে।

পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরাতন রমনা থানা ক্রসিং, রমনা পার্কের অরুণিমা গেট, মিরপুর কলেজ, গাবতলী ও রামপুরা ট্রাফিক পুলিশ বক্সসহ বিভিন্ন জনবহুল স্থানে বিশেষ সিগন্যাল লাইট স্থাপন করা হয়েছে।

সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে ডিএমপি চালকদের জন্য তিন দফা নির্দেশনা দিয়েছে—

  • ট্রাফিক সিগন্যাল (লাল, সবুজ, হলুদ) কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে
  • লাল বাতিতে গাড়ি থামাতে হবে, হলুদ বাতিতে গতি কমাতে হবে
  • স্টপ লাইন বা জেব্রা ক্রসিংয়ের আগে গাড়ি থামাতে হবে

ডিএমপি নগরবাসী ও চালকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, নতুন এই ট্রাফিক ব্যবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিরাপদ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ ঢাকা গড়ে তুলতে সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।