ঈদে কালশী বস্তির অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১হাজার ২৫০ জনকে খাবার দিল আনসার ও ভিডিপি

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ন, ৩০ মে ২০২৬ | আপডেট: ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, ৩১ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর কালশী বস্তিতে সাম্প্রতিক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তায় মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। ঈদুল আযহার সময়ে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে বাহিনীর উদ্যোগে ১ হাজার ২৫০ জন অসহায় মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

শনিবার (৩০ মে) বাউনিয়াবাদ কালশী বস্তি এলাকায় এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের নির্দেশনা ও মানবিক বিবেচনায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ধানমন্ডিতে ৮৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার উদ্ধার, চোরাচালান চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

উল্লেখ্য, গত ২৫ মে কালশী বস্তিতে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে অসংখ্য ঘরবাড়ি পুড়ে যায়। এতে শত শত পরিবার তাদের বসতঘর ও সহায়-সম্বল হারিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়ে। অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় এবং খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সংকটে পড়ে।

এমন পরিস্থিতিতে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ও আশার সঞ্চার করেছে।

আরও পড়ুন: বিএনপি নেতা আবুল বাশার হত্যা মামলার আসামি লেদু হাসান গ্রেপ্তার, বিরুদ্ধে ৩৬ মামলা

খাবার বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ও শৃঙ্খলাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ কাজে ৪১ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য এবং ৩৫ জন টিডিপি সদস্য ও সদস্যা দায়িত্ব পালন করেন।

বাউনিয়াবাদ আইডিয়াল হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক (উইং) শুভ্র চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর আনসার (পশ্চিম) জোনের অধিনায়ক উপপরিচালক আরিফুর রহমান, ঢাকা মহানগর আনসার (দক্ষিণ) জোনের অধিনায়ক উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামানসহ বিভিন্ন থানার আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি দুর্যোগ, সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ের সময়ও তারা জনগণের পাশে থেকে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে জনকল্যাণে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাহিনী।