টিএইচই সাসটেইনেবিলিটি র্যাঙ্কিংয়ে দেশের সেরা গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) বিশ্বখ্যাত টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) প্রকাশিত সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিং ২০২৬-এ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। বুধবার (২৪ জুন) টিএইচই তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এ র্যাঙ্কিং প্রকাশ করে।
এবারের মূল্যায়নে গাকৃবি বৈশ্বিকভাবে ৪০১–৬০০তম অবস্থানে জায়গা করে নিয়েছে। গত বছর যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ছিল ৮০১–১০০০, সেখানে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করে এই অবস্থানে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে শিক্ষা, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া
গাকৃবির জনসংযোগ বিভাগের সেকশন অফিসার মো. রনি ইসলাম জানান, এবারের র্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের ১১৬টি দেশ ও অঞ্চলের ১,৬৪৬টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশের ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। জাতিসংঘ ঘোষিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) এবং শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও সামাজিক প্রভাবের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করা হয়।
প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এসডিজি-১ (দারিদ্র্যমুক্তি) সূচকে ৭৪.৮ স্কোর নিয়ে গাকৃবি বিশ্বের ৮২তম, এসডিজি-২ (ক্ষুধামুক্তি) সূচকে ৭৮.৩ স্কোর নিয়ে ৬৬তম এবং এসডিজি-৪ (মানসম্মত শিক্ষা) সূচকে ৬৮.৫–৭৪.৫ স্কোর নিয়ে ১০১–২০০-এর মধ্যে অবস্থান করেছে।
আরও পড়ুন: অর্ধ-বার্ষিক ও প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন, নতুন তারিখ ঘোষণা
রনি ইসলাম আরও জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়েও গাকৃবি ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছে। টিএইচই র্যাঙ্কিং ২০২৫ ও ২০২৬-এর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেশের সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান লাভ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র্যাঙ্কিংস ফর ইনোভেশন (উরি) ২০২৬-এর ফিন্যান্সিয়াল ইমপ্যাক্ট ড্রিভেন ট্রান্সফার টেকনোলজি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্বের শীর্ষ ১০০-এর মধ্যে ২৩তম স্থান অর্জন করেছে। কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাসটেইনেবিলিটি র্যাঙ্কিংস ২০২৬-এও দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান পেয়েছে গাকৃবি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটি শুধু একটি র্যাঙ্কিংয়ের অর্জন নয়; বরং আমাদের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অ্যালামনাই এবং সব অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টার স্বীকৃতি। এই সাফল্য আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা এবং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন নেতৃত্ব গড়ে তুলে দেশের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা আরও দৃঢ়ভাবে কাজ করে যাব।





