ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
নিরাপদ স্থানে সরানো হলো আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আকস্মিক ‘প্রতিরোধমূলক’ হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-কে রাজধানী তেহরান থেকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
রয়টার্স-এর বরাতে এক ইরানি কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। হামলা শুরুর পর তেহরানজুড়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইরান তাদের আকাশসীমা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়।
আরও পড়ুন: বাহরাইনের রাজধানীতে বিস্ফোরণ, সতর্কতা জারি
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তেহরানের কেন্দ্রস্থল এবং বিশেষ করে বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর গোয়েন্দা পরিদপ্তরের সদর দপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘শিল্ড অফ জুডাহ’। এক ইসরাইলি নিরাপত্তা কর্মকর্তার দাবি, কয়েক মাস আগে পরিকল্পিত এ অভিযানের সময়সূচী কয়েক সপ্তাহ আগেই চূড়ান্ত করা হয়। তাদের ভাষ্য, ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে ওঠা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও ড্রোন ঘাঁটি ধ্বংস করাই ছিল এই হামলার মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন: খামেনির বাসভবনসহ ও ইরানের ৩০ স্থানে হামলা
হামলা শুরুর পরপরই ইসরাইলজুড়ে রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। আইডিএফ সাধারণ নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ের কাছাকাছি থাকার জন্য জাতীয় সতর্কবার্তা জারি করেছে। সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে জনসাধারণকে প্রস্তুত রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে উভয় দেশই সর্বোচ্চ সামরিক প্রস্তুতিতে রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট





