মার্কিন আগ্রাসনে সরাসরি জড়িত
আমিরাতকে গুড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে অভিযোগ তুলেছে তেহরান। দেশটির উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো দাবি করেছে, চলমান সংঘাতে আমিরাত পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছে এবং এ কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।
ইরানের কর্মকর্তারা সতর্ক করে জানিয়েছেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান শুরু করে, তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অবকাঠামো ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হতে পারে। বিশেষ করে আরব আমিরাত-এর ভূমিকা নিয়ে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে।
আরও পড়ুন: নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ওলি গ্রেপ্তার
তেহরানের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করে সম্ভাব্য অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ ও দ্বীপগুলো নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত অবস্থানকে কেন্দ্র করে সামরিক বিকল্প বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে তা আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।
আরও পড়ুন: ইরানের এক ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের ১১ স্থানে আঘাত হানল, নিহত ১
সংঘাত শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় বিভিন্ন দেশের জ্বালানি স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
ইরানের এক কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, তারা এখনো সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে পুরোপুরি শত্রু হিসেবে ঘোষণা না করলেও পরিস্থিতির অবনতি হলে সেই অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে। বিশেষ করে কোনো স্থল অভিযান শুরু হলে প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক সমাধান না এলে এই উত্তেজনা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে রূপ নিতে পারে, যার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর গভীরভাবে পড়বে।





