ইরানবিরোধী মার্কিন অভিযানে প্রতিবেশী দেশ যোগ দিলে শত্রু হিসেবে বিবেচনা হবে: তেহরান

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী অর্থনৈতিক অভিযানে কোনো প্রতিবেশী দেশ যুক্ত হলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান। একই সঙ্গে এসব দেশের স্বার্থে হামলা চালানো এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে ইরান। ইরাকি বার্তাসংস্থা শাফাক নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

শনিবার ইরানের একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবার্তা দেন দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ি।

আরও পড়ুন: ওড়িশা উপকূলে ২৪ ক্রুসহ পানামার পতাকাবাহী জাহাজ ডুবি, উদ্ধার ২

রেজায়ি বলেন, কোনো প্রতিবেশী দেশ ওয়াশিংটনের ইরানবিরোধী অভিযানে যোগ দিলে ইরান ওই দেশগুলোর স্বার্থে আঘাত হানবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি ঠেকিয়ে দেওয়া হবে। বিকল্প আঞ্চলিক তেল রপ্তানি পথগুলোও ইরানের হামলার লক্ষ্য হতে পারে বলে জানান তিনি।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও ইরানের অবস্থান স্পষ্ট করেন রেজায়ি। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ভিন্ন কথা বললেও প্রণালিটি ইতোমধ্যে বন্ধ রয়েছে। ওয়াশিংটন তাদের নীতি ও আচরণ পরিবর্তন না করা পর্যন্ত এটি পুনরায় খোলা হবে না।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিতের নীতি বাতিল করল মার্কিন আদালত

তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির উপকূলের অর্ধেকের বেশি অংশ ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ পরিচালনার অধিকার ইরানের থাকা উচিত।

এর আগে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে কঠোর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দেন। ইরানকে আর্থিক বা বাণিজ্যিক সহায়তা দেওয়া যেকোনো সরকারের ওপর বড় ধরনের চাপ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।

ইরানের তেল পাচার, পণ্য বিনিময়, নগদ অর্থ স্থানান্তর, মুদ্রা বিনিময় এবং বিভিন্ন ভুয়া বা আড়াল করা কোম্পানির মাধ্যমে বাণিজ্য বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি কোনো দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কোম্পানি, বিমানবন্দর বা সরকারি সংস্থা ইরানকে সহায়তা করলে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।