প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: শেখ হাসিনাসহ ১২ আসামির রায় ২৭ নভেম্বর

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩:০১ অপরাহ্ন, ২৩ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১২:৪৯ অপরাহ্ন, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে দায়ের করা দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ আসামির রায় ঘোষণার দিন ঠিক হয়েছে আগামী ২৭ নভেম্বর।

রোববার (২৩ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এক আসামির যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার এ দিন ধার্য করেন। মামলার বাকি ১১ আসামি পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে কোনো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হয়নি এবং তারা আত্মপক্ষ সমর্থনে নিজেদের নির্দোষ দাবি করার সুযোগও পাননি।

আরও পড়ুন: জনস্বার্থে প্রাণী অধিকার রক্ষায় লিগ্যাল নোটিশ দিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহরিয়ার

দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি শেখ হাসিনাসহ আটজনকে আসামি করে মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে ১০ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, পুরবী গোলদার (সিনিয়র সহকারী সচিব), মো. আনিছুর রহমান মিঞা (সাবেক পিএ), রাজউকের সাবেক সদস্য শফি উল হক, খুরশীদ আলম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, সচিব শহিদ উল্লাহ খন্দকার এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

আরও পড়ুন: সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর জামিন

প্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ছয়টি মামলা করে দুদক। এসব মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ, বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ আরও অনেককে আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যে তিন মামলায় বিশেষ জজ আদালত-৫ এবং বাকি তিন মামলায় বিশেষ জজ আদালত-৪ অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, সরকারের সর্বোচ্চ পদে থাকার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যরা অযোগ্য থাকা সত্ত্বেও পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দ নেন।

রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের মধ্য দিয়ে মামলার বিচার প্রক্রিয়া নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন সবার নজর ২৭ নভেম্বরের দিকে।