ঘুমের সময় নাক ডাকার কারণ, জানুন কারণ ও প্রতিরোধের উপায়
নাক ডাকা অনেকেই শুধুই ক্লান্তির সঙ্গে যুক্ত মনে করেন। তবে এটি অনেক সময় গোপন শ্বাসনালীর সমস্যা বা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে নাক ডাকা অবহেলা করলে ঘুমের মান, রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ এবং সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদে প্রভাব পড়তে পারে।
নাক ডাকার কারণ
আরও পড়ুন: গর্ভধারণের আগে যে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানা জরুরি
ঘুমের সময় গলা ও নাকের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত বাতাস আংশিকভাবে বন্ধ হলে নাক ডাকা শুরু হয়। নাক বন্ধ থাকা, টনসিল ফুলে যাওয়া, জিহ্বার শিথিলতা বা ঘাড়ের চারপাশে অতিরিক্ত নরম টিস্যু শ্বাসনালী সংকুচিত করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে অক্সিজেনের অভাব উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস এবং দিনের ক্লান্তি ডেকে আনতে পারে।
নাক ডাকার সমস্যা নিয়ন্ত্রণের উপায়
আরও পড়ুন: শিশুর স্বাভাবিক আচরণ: কোন আচরণে উদ্বেগ করা জরুরি নয়?
ঝুঁকি চিহ্নিত করুন
যদি নাক ডাকার সঙ্গে শ্বাস বন্ধ হওয়া, হাঁপানি বা অতিরিক্ত ঘুমের সমস্যা থাকে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। মুখ শুকিয়ে যাওয়া বা দিনের বেলা ঘুমে থাকাও সতর্কতার লক্ষণ।
ওজন নিয়ন্ত্রণ
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখলে ঘাড় ও শ্বাসনালীর উপর চাপ কমে, ফলে নাক ডাকার মাত্রা হ্রাস পায়।
ঘুমের ভঙ্গি পরিবর্তন করুন
চিৎ হয়ে ঘুমালে জিহ্বা পিছনের দিকে পড়ে এবং নাক ডাকার সমস্যা বাড়ে। পাশ ফিরে শোয়া স্বাভাবিক শ্বাসনালী বজায় রাখে।
নিয়মিত ঘুমের রুটিন
অনিয়মিত ঘুম গলার পেশীর শিথিলতা বাড়ায়, যা নাক ডাকার প্রবণতা বাড়ায়।
নাকের স্বাস্থ্য বজায় রাখুন
নাক বন্ধ বা অ্যালার্জি প্রতিরোধ করা গুরুত্বপূর্ণ। সাইনাসের সমস্যা বা কফ নাক ডাকার ঝুঁকি বাড়ায়।
নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস, স্বাস্থ্যকর জীবনধারা এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসা পরামর্শ নিলে নাক ডাকার সমস্যা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।





