স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুর তিন দিন পর হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:০৬ অপরাহ্ন, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:১৬ অপরাহ্ন, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

স্ত্রী ও শিশুসন্তানের মৃত্যুর তিন দিন পর মানবিক বিবেচনায় হাইকোর্ট থেকে ছয় মাসের জামিন পেয়েছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বাগেরহাট সদর উপজেলার সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সাদ্দামের পারিবারিক বাড়ি থেকে তার স্ত্রী কানিজ সুর্বনা স্বর্ণালীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই স্থানে তার নয় মাস বয়সী শিশু সন্তান নাজিমের নিথর দেহও পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন: দুর্নীতির অভিযোগে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজকে দুদকের তলব, তদন্ত জোরদারের দাবি

ঘটনার পরদিন শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে শেষবারের মতো স্ত্রী ও সন্তানের মুখ দেখার সুযোগ দেওয়া হয় সাদ্দামকে। এ সময় মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে তার পরিবারের ছয় সদস্যকে কারা ফটকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। প্রায় পাঁচ মিনিট সময় ধরে স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখেন তিনি।

এ ঘটনায় প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার সৃষ্টি হলে রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিষয়টি স্পষ্ট করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিবৃতিতে বলা হয়, সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর পর প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে যশোর জেলা প্রশাসক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে কোনো লিখিত আবেদন করা হয়নি।

আরও পড়ুন: জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সব হাসপাতালের জন্য ১০ জরুরি নির্দেশনা

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, পরিবারের মৌখিক অনুরোধের ভিত্তিতে মানবিক দিক বিবেচনা করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও কারা কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছে বলেও জানানো হয়। পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়েছে—এমন তথ্য সঠিক নয় বলেও দাবি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তারের পর থেকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন জুয়েল হাসান সাদ্দাম।