কামরাঙ্গীরচরে ডিএসসিসির বিশেষ মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:১০ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৮:১০ অপরাহ্ন, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড তথা কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বিশেষ মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকাল ২টা ৩০ মিনিটে কামরাঙ্গীরচর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-৭ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব হামিদুর রহমান।

আরও পড়ুন: লংমার্চ থেকে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতি জামায়াত-এনসিপির?

বৃক্ষরোপণকে দল-মতের ঊর্ধ্বে রেখে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো আবদুস সালাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি চারা রোপণের পরিকল্পনা সফল করার লক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। গাছ কোনো দলের সম্পদ নয়। যে-ই গাছ লাগাক, এর সুফল পাবে পুরো দেশ ও সমাজ। গাছ মানুষের আরেকটি প্রাণ। গাছ থেকেই মানুষ অক্সিজেন পায়। যানবাহনসহ বিভিন্ন উৎস থেকে তৈরি হওয়া কার্বন ডাই-অক্সাইড ও দূষিত বায়ু গাছ শোষণ করে। কিন্তু গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ঢাকার বায়ুদূষণ দিন দিন বাড়ছে। বায়ুদূষণের কারণে মানুষের নানা ধরনের অসুস্থতা বাড়ছে, হৃদ্‌রোগসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। তাই নিজের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থতার জন্যও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। প্রতিটি মানুষ একটি করে গাছ লাগালে এর সুফল পুরো সমাজ পাবে।

কামরাঙ্গীরচরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক বলেন, প্রতিটি স্কুলে গাছ লাগানো হলে পুরো এলাকা সবুজে ভরে উঠবে। শিক্ষার্থীদের গাছ লাগানোর পাশাপাশি এর পরিচর্যা ও সুরক্ষার দায়িত্বও নিতে হবে।

আরও পড়ুন: ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান

প্রশাসক আরও বলেন, আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই কামরাঙ্গীরচরের বিভিন্ন উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে। রাস্তাঘাট, মাঠ ও জলাবদ্ধতা নিরসনের কাজ চলছে। সব সমস্যা কয়েক মাসে সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে ধাপে ধাপে সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে।

মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রশাসক বলেন, বাড়ি বা আশপাশে তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকলে সেখানে মশার লার্ভা জন্মাতে পারে। তাই মশার ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি নিজেদের জায়গায় পানি জমতে না দেওয়ার বিষয়েও নাগরিকদের সচেতন হতে হবে।

অনুষ্ঠানে কামরাঙ্গীরচর থানা বিএনপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাইম, ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।