সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:৩৭ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৪:৩৭ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সোমবার ঢাকার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে রাষ্ট্রদূতসহ তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। এ সময় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই, তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে’

বৈঠকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, উন্নয়ন সহযোগিতা, কৌশলগত অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে চীন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি উল্লেখ করেন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ক্ষেত্রে চীন বিশ্বের অন্যতম অগ্রসর দেশ, বিশেষ করে স্মার্ট কার্ড প্রযুক্তিতে তাদের সফলতা উল্লেখযোগ্য।

মন্ত্রী সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির অগ্রগতি তুলে ধরে বলেন, এটি একটি ডেটাবেজভিত্তিক ডিজিটাল সামাজিক সুরক্ষা প্ল্যাটফর্ম, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন এবং নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ কর্মসূচিকে আরও স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীনের অভিজ্ঞতা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মত দেন।

আরও পড়ুন: আর্থিক নিরাপত্তা ক্রীড়াবিদদের মানসিক চাপ কমাবে

তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনসম্পদে পরিণত করা এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চীনের সহযোগিতা কাম্য।

বৈঠকের শুরুতে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তিনি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রশংসা করে বলেন, এটি ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের নিম্নআয়ের মানুষের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

রাষ্ট্রদূত আরও জানান, অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা খাতেও বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায় চীন। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও দারিদ্র্য বিমোচনে যৌথভাবে কাজ করার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়নে অবদান রাখতে আগ্রহী তারা।

তিনি বলেন, চীনের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজে লাগলে তা দুই দেশের জন্যই সুফল বয়ে আনবে। সামাজিক সুরক্ষা খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।