মার্চে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৭১%, , তবে বাজারে চাপ বহাল

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:২৭ অপরাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৮:২৭ অপরাহ্ন, ০৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

টানা চার মাস বৃদ্ধির পর মার্চে দেশের মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমেছে। তবে এই কমার প্রভাব সাধারণ মানুষের জীবনে তেমনভাবে পড়েনি। বাজারে পণ্যের দাম এখনো বেশি থাকায় বাস্তবে ভোগান্তি কমেনি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি থাকলেও মার্চে তা কমেছে।

আরও পড়ুন: নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানি, গভীর শোক প্রধানমন্ত্রীর তারিক রহমানের

খাতভিত্তিক হিসাব:

খাদ্য মূল্যস্ফীতি: ৮.২৪% এবং 

আরও পড়ুন: বম্বে সুইটসের পাঁচ মসলাসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি: ৯.০৯% । 

ঈদকে সামনে রেখে পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা বাড়ায় খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি বেশি হয়েছে।

মার্চে মজুরি বেড়েছে ৮.০৯ শতাংশ, যা মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম।

এর ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাচ্ছে এবং খরচ সামলাতে চাপ বাড়ছে। 

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সরকারি হিসাবে মূল্যস্ফীতি কমলেও বাজারের বাস্তব চিত্র এখনো কঠিন। 

তাদের মতে—নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি পরিমাপের বর্তমান পদ্ধতিতে বাস্তবতার পুরো প্রতিফলন নাও আসতে পারে। 

আয় ও মূল্যস্ফীতির ব্যবধান কমাতে কার্যকর নীতি প্রয়োজন। শুধু পরিসংখ্যানগত উন্নতি নয়, মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরিয়ে আনাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য। 

মূল্যস্ফীতি কমা মানে দাম কমে যাওয়া নয়, বরং দাম বাড়ার হার কমে যাওয়া।

আর মূল্যস্ফীতি বাড়া মানে পণ্যের দাম আরও দ্রুত বাড়া।

মূল্যস্ফীতির প্রভাব: ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়,জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ে,সঞ্চয় কমে যায়,অনেক ক্ষেত্রে ধারদেনা বাড়ে, মানুষ খরচ কমাতে বাধ্য হয়। 

মার্চে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও বাস্তবে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফেরেনি। আয় বাড়ার তুলনায় খরচ বেশি বাড়ায় বাজারে চাপ এখনো রয়ে গেছে।