নুসরাত হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় ঘোষণা চলেছে

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১:২৮ অপরাহ্ন, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রায় ঘোষণা শুরু হয়।

আদালতে আসামিপক্ষে উপস্থিত রয়েছেন অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাসুদ হোসেন দোলন ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। তার সঙ্গে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আইনি বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

এর আগে গত ২০ আগস্ট মামলাটির ডেথ রেফারেন্স, আপিল ও জেল আপিলের ওপর হাইকোর্টে শুনানি শেষ হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

মামলা প্রত্যাহার না করায় একই বছরের ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে নুসরাতকে ডেকে নিয়ে হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের তৎকালীন বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নুসরাত হত্যা মামলায় রায় দেন। রায়ে বরখাস্ত অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হাইকোর্টে পৃথক আপিল ও জেল আপিল করেন। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলার নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

২০১৯ সালের ২৯ অক্টোবর মামলার রায়সহ নথিপত্র হাইকোর্টে পৌঁছায়। পরে এটি ডেথ রেফারেন্স মামলা হিসেবে ১৪০/১৯ নম্বরে নিবন্ধিত হয়।

এখন হাইকোর্টের রায়ের ওপরই নির্ভর করছে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ১৬ আসামির পরবর্তী আইনি পরিণতি।