জাতীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন কমিটি (NATFC) এর ৯ম সভা অনুষ্ঠিত

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:১০ অপরাহ্ন, ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, ১১ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক, বিএসপি, জিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, এসিএসসি, পিএসসি এর সভাপতিত্বে জাতীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন কমিটি (NATFC) এর ৯ম সভা সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) বেবিচক সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সদস্য-সচিব হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেবিচক-এর সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমডোর মোঃ আসিফ ইকবাল, বিএসপি, বিইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জিডি(পি)। এছাড়াও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (কাস্টমস), বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড, এয়ারলাইন্স অপারেটিং কমিটি, বাংলাদেশ পুলিশ, ইমিগ্রেশন এবং বেবিচক-এর ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন: ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর

সভায় আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (ICAO)-এর Annex-9 অনুযায়ী জাতীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট ফ্যাসিলিটেশন কমিটির নিয়মিত সভার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, যাত্রী, ব্যাগেজ ও কার্গো চলাচল সহজ, দ্রুত ও সুশৃঙ্খল করার পাশাপাশি আন্তঃসংস্থা সমন্বয় জোরদারে NATFC গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সভাপতির বক্তব্যে বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, ফ্যাসিলিটেশন ও এভিয়েশন সিকিউরিটি পরস্পর পরিপূরক। কার্যকর ফ্যাসিলিটেশন নিশ্চিত হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও দক্ষভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়, যা বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব করে তোলে।

আরও পড়ুন: ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দিচ্ছে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সভায় বিমানবন্দরসমূহে যাত্রী প্রক্রিয়াকরণে বিলম্ব, আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের ঘাটতি ও প্রক্রিয়াগত কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান, সমন্বিত কার্যপদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় সিদ্ধান্তসমূহের কার্যকর বাস্তবায়ন, নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং পর্যবেক্ষণ জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও আলোকপাত করা হয়।

বেবিচক জানায়, এসব উদ্যোগ দেশের এভিয়েশন খাতে দক্ষতা বৃদ্ধি, যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ এবং বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতের ভাবমূর্তি উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।