ইসলামে বিভেদ-হানাহানির কোনো স্থান নেই: পবিত্র আশুরার বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ২:১০ পূর্বাহ্ন, ২৬ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, ২৬ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই। তিনি আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। ইসলামের ইতিহাসে এই দিন শুধু শোক ও স্মরণের নয়, বরং সত্য, ন্যায়, ধৈর্য, ত্যাগ এবং নৈতিক দৃঢ়তার চিরন্তন শিক্ষা বহন করে।

আরও পড়ুন: নিবন্ধন অধিদপ্তরে প্রথম নারী মহাপরিদর্শক শামীমা আফরোজ

তিনি বলেন, ইসলামের মূল শিক্ষা শান্তি, ন্যায়বিচার, সহমর্মিতা ও মানবকল্যাণের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাই আশুরার শিক্ষা ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে সবাইকে আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কারবালার ঘটনা মানব ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। যুগে যুগে এই ঘটনা মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিতে এবং অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে অনুপ্রাণিত করে আসছে।

আরও পড়ুন: বেইজিংয়ে গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-চীনের চার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

তিনি স্মরণ করেন, প্রায় ১,৪০০ বছর আগে কারবালার প্রান্তরে হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) তাঁর পরিবারের সদস্য ও বিশ্বস্ত সঙ্গীদের নিয়ে জুলুম, অন্যায় ও স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত না করে শাহাদতের মহান মর্যাদা লাভ করেন। তাঁর এই আত্মত্যাগ কারবালাকে সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামের এক অবিনাশী প্রতীকে পরিণত করেছে।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.)-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একই সঙ্গে কারবালার মর্মান্তিক ঘটনায় শাহাদতবরণকারী তাঁর পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের পবিত্র স্মৃতির প্রতিও বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

এছাড়া তিনি পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।