বাংলাদেশের সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের বোয়িং চুক্তির দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
অতিরিক্ত বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার জন্য বাংলাদেশ বিলিয়ন ডলারের অর্ডারে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে হওয়া এই সমঝোতাকে ‘অসাধারণ চুক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর।
রোববার (৩০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা করতে গিয়ে বাংলাদেশ-বোয়িং চুক্তির বিষয়টি তুলে ধরেন গোর।
আরও পড়ুন: ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীর খোঁজে বার্ষিক বিজ্ঞান মেলার আসর ঘোষণা জেডআরএফ-এর
তিনি বলেন, চলতি সপ্তাহেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আরেকটি ‘অসাধারণ চুক্তি’ হয়েছে। এর আওতায় বাংলাদেশ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করে গোর দাবি করেন, দেশটির ইতিহাসে কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে ট্রাম্পই ‘সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেসিডেন্ট’।
আরও পড়ুন: ৩৭তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের ৪র্থ কমিটি গঠন, সভাপতি তাছবীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শফিক
গোর বলেন, ট্রাম্প উচ্চ বেতনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং মার্কিন অর্থনীতিকে চাঙা করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িংয়ের এই অর্ডারকেও যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের অর্ডারের বাইরে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ। তবে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা তথ্য অনুযায়ী, কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, মোট চুক্তিমূল্য কত এবং সেগুলো কবে নাগাদ সরবরাহ করা হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
ফলে গোরের বক্তব্যে ‘বিলিয়ন ডলার’ ব্যয়ের কথা বলা হলেও চুক্তিটির সুনির্দিষ্ট আর্থিক মূল্য ও উড়োজাহাজের সংখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়।
সার্জিও গোর বর্তমানে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূতের দায়িত্বও পালন করছেন।
এর আগে গত ৩০ জুলাই তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন তিনি।





