বাসার কাছেই চিরশায়িত অপ্রতিম

Shahrier Islam Pallab
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:৩২ অপরাহ্ন, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১২:৩৩ অপরাহ্ন, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

কুমিল্লার গন্ধমতি এলাকার বাসার কাছেই চিরশায়িত হয়েছে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। রোববার(২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি উপশহরের গন্ধমতি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে প্রথম ও পরে বেলা ১১টায় তার বাসা সংলগ্ন এলাকায় গন্ধমতি ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়।  এসব জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষাথীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

আরও পড়ুন: অপ্রতীম হত্যা নিয়ে নানা রহস্য বেরিয়ে আসছে

ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে এবং স্থানীয় বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

শুক্রবার বিকালে কোটবাড়ি এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বের হয় সে। এরপর আর বাসায় ফেরেনি। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

আরও পড়ুন: রাজধানী জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার , ২০০টির বেশি চেকপোস্ট

পরে শনিবার দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের একটি নির্জন জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে মরদেহের সঙ্গে অপ্রতিমের মায়ের আইফোনটি পাওয়া যায়নি।

শনিবার রাতে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে অপ্রতিমের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

তাকে হত্যায় জড়িত থাকার সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে রোববার দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানোর কথা রয়েছে পুলিশের।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, নিহত অপ্রতিমের দাদার বাড়ি কুষ্টিয়ায়। নানার বাড়ি চাঁদপুরে। কুমিল্লা কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকায় যে বাড়িতে তারা থাকতেন সেটি তাদের নিজেদের করা বাড়ি। অপ্রতিমের জন্ম হয়েছিল এখানেই। সে বড়ও হয়েছে এই গন্ধমতি এলাকায়। তাই তার পরিবারের ইচ্ছায় বাড়ির পাশে কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।