অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রি করলেই ব্যবস্থা, বাজার তদারকিতে ডিসিদের নির্দেশ

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:২৯ অপরাহ্ন, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৪:৫০ পূর্বাহ্ন, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। নির্ধারিত দামের বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: অধ্যাপক ইউনূসকে হয়রানির প্রতিবাদে সাবেক ১২ জন উপদেষ্টার বিবৃতি

তিনি বলেন, এলপিজির সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি পর্যালোচনায় জ্বালানি বিভাগ সব জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অনলাইনে মতবিনিময় সভা করেছে। ওই সভায় এলপিজির বাজার তদারকি ও সরবরাহব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রত্যেক জেলা প্রশাসককে নিজ জেলার সব এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অপারেটর থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি, মাস্টার ফ্র্যাঞ্চাইজি, ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলার পর্যায়ে কী পরিমাণ এলপিজি সরবরাহ করা হয়েছে, সেই তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিস্তারিত পরিচয় যতটা সম্ভব সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হয়রানির অভিযোগ, সরকারের তীব্র নিন্দা

এ ছাড়া জেলা প্রশাসকদের অবিলম্বে নিজ নিজ জেলার এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর ও ডিলারদের সঙ্গে সভা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই সভায় জেলার এলপিজি সরবরাহ, বিতরণ ও বাজারজাতকরণের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে হবে।

সরকারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এলপিজি সরবরাহব্যবস্থার প্রতিটি ধাপ থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে, যাতে সরবরাহের প্রতিটি পর্যায় শনাক্ত ও যাচাই করা যায়। কোনো অপারেটর, ফ্র্যাঞ্চাইজি বা ডিস্ট্রিবিউটরের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মাঠপর্যায়ে ডিলারের পাওয়া এলপিজির পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য থাকলে তা আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে হবে।

সংগৃহীত তথ্যে কোনো এলাকায় এলপিজি সরবরাহে অস্বাভাবিক ঘাটতি, সরবরাহব্যবস্থায় বিচ্যুতি কিংবা অপারেটর থেকে ডিলার পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে তা জ্বালানি বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

জাহেদ উর রহমান বলেন, জেলা পর্যায় থেকে পাওয়া তথ্য সমন্বয় করে এলপিজি অপারেটর থেকে ডিলার পর্যায় পর্যন্ত সরবরাহব্যবস্থার একটি সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে তদারক করা সম্ভব হবে।