আতঙ্ক ছড়াতে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন, বলছে ডিএমপি
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক ককটেল বিস্ফোরণ ও গণপরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনাগুলো পরিকল্পিতভাবে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং নাশকতা চালানোর উদ্দেশ্যে ঘটানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আকতার হোসেন।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ: লটারিতে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ৩০০ জন
তিনি বলেন, রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের প্রতিটি ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে পুলিশ। এসব ঘটনার তদন্তও চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও অঙ্গসংগঠনের সদস্য রয়েছেন।
ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতা ও আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান এবং নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন সরকারের উচ্চপদস্থ ৩৪ কর্মকর্তা
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দূর করতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পুলিশের মোবাইল পার্টি, পিকেট ডিউটি এবং বিশেষ নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ককটেল তৈরির উপকরণ কোথায় প্রস্তুত করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নের জবাবে আকতার হোসেন বলেন, এর আগেও ককটেল তৈরির উপাদান ও বিস্ফোরকদ্রব্যসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
তিনি জানান, নাশকতার উদ্দেশ্যে পেট্রোল পাম্প কিংবা অন্য কোনো স্থান থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, তা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে কারা নাশকতার উদ্দেশ্যে এসব দাহ্য পদার্থ সংগ্রহ করছে, তাদের শনাক্ত করতে ডিএমপির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।





