যে কারণে ডিবি কার্যালয়ে গিয়েছিলেন মামুনুল হক

Abid Rayhan Jaki
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩৫ অপরাহ্ন, ১৮ মে ২০২৪ | আপডেট: ৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক আজ শনিবার (১৮ মে) বিকেলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে এসেছিলেন। ডিবি সূত্রে জানা গেছে, মামুনুল হক বিকেল ৫টার দিকে ডিবি কার্যালয়ে যান। তারপর সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে বের হয়ে যান।

ডিবি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় মামুনুল হক সাংবাদিকদের জানান, তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন নেওয়ার জন্য তিনি ডিবি কার্যালয়ে এসেছিলেন। তবে তার মোবাইল ফোনটি ডিবি হস্তান্তর করেছে কি না, সে বিষয়ে মামুনুল হক কিছু বলেননি। ডিবি কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করেনি।

আরও পড়ুন: পিছনের দরজা দিয়ে গণতন্ত্র ধ্বংসের ষড়যন্ত্র এখনো চলছে: ডা. রফিক

এর আগে, হেফাজতের এই নেতা যখন গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তখন তার মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ মে মাওলানা মামুনুল হক কারাগার থেকে মুক্তি পান। এর আগের দিন রাতে মাওলানা মামুনুল হকের মুক্তির কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে তিনি মুক্তি পাননি। তখন কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার সুব্রত কুমার বালা জানিয়েছিলেন, বৃহস্পতিবার মামুনুল হককে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে না। তার জামিনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই চলছে।

আরও পড়ুন: দেশপ্রেমিক শক্তির বিরুদ্ধে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে: মির্জা আব্বাস

গত ১১ মার্চ মামুনুল হকের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা করতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক করেন হেফাজত নেতারা। ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খানসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।

বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংগঠনটির মহাসচিব মাওলানা সাজিদুর রহমান দাবি করেন, মামুনুল হকের মুক্তির বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

গত ২৪ এপ্রিল তিন মামলায় জামিন পান মামুনুল হক। এ বিষয়ে মামুনুল হকের আইনজীবী আব্দুস সালাম হিমেল বলেন, ২০১৩ সালের মতিঝিল থানার এক মামলায় ও ২০২১ সালের পল্টন থানার দুই মামলায় জামিন পেয়েছেন মামুনুল হক। তার বিরুদ্ধে ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে একাধিক মামলা রয়েছে। ওইসব মামলায় জামিন পেলে তিনি কারামুক্ত হতে পারবেন বলে তখন জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে হেফাজত নেতা মাওলানা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের মাদ্রাসা থেকে মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।