৩ দলের নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’ ঘোষণা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) তিনটি রাজনৈতিক দল নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক সংস্কার জোট’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। জোটে এনসিপির পাশাপাশি রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং এবি পার্টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
রোববার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “দেশের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক সংস্কার ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় এই নতুন মঞ্চ কাজ করবে।”
আরও পড়ুন: ভারত সব দলকে পকেটে ঢুকিয়েছে, একটি দলকে পারেনি: জামায়াত আমির
নাহিদ ইসলাম আরও জানান, “২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর দেড় বছরে আমরা বহু হতাশার মুখোমুখি হয়েছি। ঐকমত্য কমিশনে বিভিন্ন শক্তি সংস্কারের বিরোধিতা করেছে এবং বাধা দিয়েছে। তাই সংস্কারের পক্ষে আমরা তিন দল আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। এই ঐক্য প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এই জোট কেবল নির্বাচনী নয়—এটি একটি রাজনৈতিক জোটও। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করব এবং আরও বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। আগামী নির্বাচনে আমরা একসঙ্গে, এক মার্কায় লড়ব। কেউ যদি মনে করে গায়ের জোরে বা ধর্মের দোহাই দিয়ে নির্বাচনে জিতবে—তারা সফল হবে না।”
আরও পড়ুন: আয় কমেছে জামায়াতের
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু বলেন, “অভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা অপূর্ণ রয়ে গেছে। তরুণদের আশা ব্যর্থ হয়েছে। নতুনদের অনেক কর্মকাণ্ড সমালোচিত হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা নতুন পথচলা শুরু করতে তিন দল একত্রিত হয়েছি। পুরনো রাজনীতি দিয়ে ফ্যাসিবাদের পতন সম্ভব হয়নি, নতুনরা চ্যালেঞ্জ করেছিল বলেই ফ্যাসিবাদের পতন সম্ভব হয়েছে।”
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম বলেন, “আমরা তিন দল নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও মনে করি না, শুধু এই তিন দলই পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে। সংস্কারের স্বপ্ন কতটা বাস্তবায়িত হবে, তার ওপরই নির্ভর করছে ২৪ সালের অভ্যুত্থানের সাফল্য টিকবে কি না।”





