সহিংসতা রোধের আশ্বাস তারেক রহমানের, সাধুবাদ জামায়াত আমিরের

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:১৪ পূর্বাহ্ন, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:১৪ পূর্বাহ্ন, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামের আমির শফিকুর রহমান এর বাসায় সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে কুশলাদি বিনিময়ের পাশাপাশি সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জানিয়েছেন, তিনি বিএনপি চেয়ারম্যানকে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: গুম দিবসে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের

শফিকুর রহমান বলেন, "তারেক রহমানের এ আগমন আমাদের জাতীয় রাজনীতির জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আমি আশা করি সংলাপ ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে এটি রাজনৈতিক পরিপক্কতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।"

তিনি আরও বলেন, "আমি এমন একটি বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি, যা হবে ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত। জামায়াত ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে মিলে একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সাংবিধানিক শাসনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হবে।"

আরও পড়ুন: যার বিয়ে তার ঠেকা নাই, পাড়াপড়শির ঘুম নাই: জামায়াত আমির

জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, "আমাদের আলোচনায় তিনি (তারেক রহমান) আশ্বস্ত করেছেন যে, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো হামলা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আমি এ আশ্বাসকে সাধুবাদ জানাই। আমাদের প্রত্যাশা, কোনো নাগরিকই ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার হবে না।"

তিনি আরও যোগ করেন, "জাতীয় স্বার্থে নির্বাচিত সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাসও আমরা দিচ্ছি। তবে একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে ১১ দলীয় জোট সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সব সময় আপসহীন থাকবে। সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে আমাদের সমর্থন থাকবে, কিন্তু যেখানেই জবাবদিহিতার প্রয়োজন হবে, সেখানে আমরা সোচ্চার থাকবো। আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয়, বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয়, বরং পর্যবেক্ষণ। দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা ন্যায়বিচার ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এবং স্থিতিশীলতার সঙ্গে রাষ্ট্রকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।"