চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ছাত্রদল নেতা ডা. আউয়ালের

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ন, ১০ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২:২৩ পূর্বাহ্ন, ১১ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে হৃদয়ে ধারণ করে ভবিষ্যতে সাম্য ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডাঃ তৌহিদুর রহমান আউয়াল। সেই সঙ্গে এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার বা বিক্রি না করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আজ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জুলাই আন্দোলনে আহত চিকিৎসাধীন যোদ্ধা ও সাধারণ রোগীদের মাঝে খাবার বিতরণ শেষে এ কথা বলেন আউয়াল।

আরও পড়ুন: শেখ হাসিনা আর কখনো দেশে ফিরতে পারবেন না: রাশেদ খাঁন

এ সময় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত ও তারেক রহমানের দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া চাওয়া হয়।

ডাঃ আউয়াল বলেন, "দুই বছর আগে এই সময়ে আমাদের 'জার্নি টু ইনফিনিটি' বা অনিশ্চিত এক যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে সফল হয়েছে। বিএনপি ও ছাত্রদল চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে হৃদয়ে ধারণ করে, এটি কোনো বিক্রির বস্তু নয়।"

আরও পড়ুন: সড়কে মাফিয়াতন্ত্র ও চাঁদাবাজির অবসান ঘটাতে হবে: রিজভী

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু দল চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে। অথচ আন্দোলনের কঠিন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামানো এবং স্লোগান শেখানোর মূল কাজটি করেছিল ছাত্রদলের নেতারাই।

আন্দোলনে আহতদের পুনর্বাসনে সরকারের বর্তমান বাজেটের ক্যাটাগরিভিত্তিক আর্থিক সহায়তার (এ ক্যাটাগরি ২০ হাজার, বি ক্যাটাগরি ১৫ হাজার এবং সি ক্যাটাগরি ১০ হাজার টাকা) প্রশংসা করে ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডাঃ আউয়াল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে আহতদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন, দেশের সাধারণ মানুষকেও সেভাবে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। আমাদের অস্তিত্ব রক্ষা করতে হলে ১৯৭১, ১৯৯০ এবং ২০২৪—এই তিনটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনাকে একসঙ্গে হৃদয়ে ধারণ করতে হবে।

আগামীকাল ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সফরের মাধ্যমে দেশের চিকিৎসাসেবা খাতে এক নবদিগন্তের সূচনা হবে এবং দেশের কোনো মেডিকেল হাসপাতালে যেন একটি রোগীও বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

অতীত ও বর্তমানের মতো ভবিষ্যতেও ছাত্রদল সাধারণ জনগণ, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পাশে ভাই-বোন হিসেবে সর্বদা পাশে থাকবে বলে ডাঃ আউয়াল পুনর্ব্যক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাঃ মোহাম্মদ বিন মিজান, ডাঃ নিশাত সুলতানা, ডাঃ রাকিবুল ইসলাম শিমুল, ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ডাঃ সাব্বির শরীফ, পপুলার মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ডাঃ ফাইরুজ ফান্নানা, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ কামরুল হাসান মুন্না, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেতা শাহ পরান, রিপন পাশা, ন্যাবের যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির মাহমুদ তিহান, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল নেতা জাহিদ রিফাত, সৈকত, রাহীম, আমিনুল, মাহতাব, সজীব, নার্সিং বিষয়ক সম্পাদক সাগর হালদার, আফরিন ইভা, সোহাগ ইসলাম, আল আমিন, রনি-সহ নেতৃবৃন্দ।