টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে

গাকৃবি দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষে

Rashedul Hoque
জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর
প্রকাশিত: ৫:৩৪ অপরাহ্ন, ১৯ জুন ২০২৫ | আপডেট: ১:৪৭ পূর্বাহ্ন, ২০ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত


টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) ইউনিভার্সিটি ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিং ২০২৫ এ বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি) প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
বৃহস্পতিবার গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ শাখা সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন জানান, যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিখ্যাত শিক্ষা সাময়িকী টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বুধবার র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী গাকৃবি দেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে প্রথম ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ৮০১-১০০০ তম অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি অভীষ্ট গোলের উপর ভিত্তি করে বিশ্বজুড়ে ১৩০টি দেশের ২৫২৬ টি স্বনামধন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবদান ও কার্যক্রমের উপর মূল্যায়ন করে র‌্যাঙ্কিংটি করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে টাইমস হায়ার 'ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি সাবজেক্ট র‌্যাঙ্কিং-২০২৫’ এ দেশ সেরা হয়েছিল গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এর মধ্যে লাইফ সায়েন্স ক্যাটাগরিতে দেশের সকল পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এছাড়া টিএইচই ২০২৫ এর এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে দেশের সকল কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতর গাকৃবির শীর্ষস্থান অর্জনসহ ২০২৪ এর উরি র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্বের শীর্ষ ৩০০ ইনোভেটিভ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় গাকৃবির অবস্থান ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এ অসামান্য অর্জনে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৫ সালের টাইমস হায়ার এডুকেশন ইমপ্যাক্ট র‌্যাঙ্কিং-এ দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে, এটি আমাদের জন্য এক গৌরবজনক অর্জন। এ স্বীকৃতি আমাদের শিক্ষা, গবেষণা ও টেকসই উন্নয়নে অব্যাহত প্রচেষ্টার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।
উপাচার্য এই সাফল্যে নিরলসভাবে অবদান রাখা সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মানবদিবস শ্রমিকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই অর্জন আমাদের আরও দায়িত্বশীল ও অগ্রসরমাণ হতে উদ্বুদ্ধ করবে, যাতে আমরা কৃষি শিক্ষা ও গবেষণায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে আরও বড় পরিসরে ভূমিকা রাখতে পারি।’