আদালতের এজলাস থেকে নথি চুরি, আটক ১
নরসিংদীর নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের এজলাসের ২১০ নং রুমের ভিতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হলে সিসি ফুটেজের মাধ্যমে আসামী আটক সহ নথি উদ্ধার করেছেন নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ।
নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ আর এম আল-মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আরও পড়ুন: ক্ষমতা বদলালেও বদলায়নি সিটিজেন চার্টার: নেই কার্যকর মোবাইল-ইমেইল
আটককৃত ইমন মিয়া (২৯) সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের ঘোড়াদিয়া গ্রামের মৃত ছাত্তার ভূঁইয়ার ছেলে। সে নরসিংদী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী এডভোকেট লাভনী আমিনের সহকারী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১১ জানুয়ারী (রবিবার) সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের এজলাস হতে জরুরি প্রয়োজনে বেঞ্চ সহকারী মো. গোলাম মাসুম সেরেস্তায় যান। কাজ শেষ করে পূণরায় ট্রাইব্যুনালে ফিরে এসে দেখেন টেবিলের উপর রক্ষিত শিশু- ৫৫/২০১৯নং মামলার নথি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি পরও উক্ত নথিটি খুঁজে না পাওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানালে তারা এজলাসের ভিতর স্থাপন করা সি.সি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায় আইনজীবীর সহকারী ইমন মিয়া এজলাসের ভিতর ঢুকে গোপনে ও সুকৌশলে নথিটি চুরি করে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে নিরাপত্তা প্রহরীর নিয়ন্ত্রণে দাপ্তরিক কাজ
পরে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালের বেঞ্চ সহকারী মো. গোলাম মাসুম ১২ জানুয়ারী (সোমবার) বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার অপরাধে ইমন মিয়াকে গ্রেফতার করেন এবং নথি উদ্ধার করেন।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, ঘটনার পর পরই পুলিশী অভিযান চালিয়ে নথি উদ্ধার পূর্বক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। অসৎ উদ্দেশ্যে এই কাজ করেছেন বলে তিনি জানান।
মামলার বাদী বলেন, এডভোকেট লাভনী আমিনের সহকারী গত রবিবার সকালে এজলাসে আসেন অন্য আরেকটি মামলার আসামী পক্ষের হাজিরা কাগজ জমা দিতে। আমি তখন অন্য কাজে এজলাসের পাশে রুমে (সেরেস্তাখানা) থাকায় সে সুযোগ বুঝে টেবিলের ওপর রাখা গুরুত্বপূর্ণ নথিটি চুরি করে নিয়ে যায়।





