বগুড়ার ০৭টি আসনে প্রতীক বরাদ্দ: ভোটের প্রচার-প্রচারণা শুরু আগামীকাল

Sanchoy Biswas
বগুড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৮:০১ অপরাহ্ন, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:০৩ অপরাহ্ন, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বগুড়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলার ০৭টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। সেই সাথে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় ভোটের প্রচার-প্রচারণা।

আজ  (২১শে জানুয়ারি) বুধবার বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে এই প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ৩৫ জন বৈধ প্রার্থী প্রতীক হাতে পাওয়ার মধ্য দিয়ে ভোটের চূড়ান্ত লড়াইয়ে নামার প্রস্তুতি নিয়েছে।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে শ্রমিক নেতাদের মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ

বগুড়া জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা), বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ), বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া), বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম), বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট), বগুড়া-৬ (সদর) এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে এখন বহুমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমীকরণ তৈরি হয়েছে। প্রতিটি আসনেই প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীর পাশাপাশি শক্তিশালী স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও মাঠে আছেন। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই সারা দেশের ন্যায় বগুড়া জেলা জুড়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

এ বিষয়ে বগুড়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্বাচনী নিয়ম-নীতি, আচরণবিধি অনুযায়ী আগামী ২২শে জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। এই দিন থেকেই প্রার্থীরা পোস্টার, লিফলেট, মাইকিং ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে পৌঁছানোর সুযোগ পাবেন। ইতিমধ্যেই শিবগঞ্জ, শেরপুর, ধুনট, সোনাতলা, সারিয়াকান্দি, গাবতলী, শাজাহানপুর, কাহালু, নন্দীগ্রাম ও সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীরা তাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণার চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করেছে। অনেক প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার কার্যালয় খোলার কাজও শুরু করেছে।

আরও পড়ুন: পাচারচক্রের হাত থেকে শিশু উদ্ধার, পাচারকারী নারী গ্রেফতার

প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ শেষ হওয়া উল্লেখ করে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে শান্তিপূর্ণভাবে প্রচার-প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ, র‍্যাব, আনসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে থাকবেন। এদিকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও নির্বাচন নিয়ে আমেজ শুরু হয়েছে। হাটে-বাজারে ও চায়ের দোকানে এখন আলোচনার মূল বিষয় কে হচ্ছে তাদের পরবর্তী প্রতিনিধি। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা কর্মসংস্থান ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।