মিলছে না উৎপাদন খরচ

নীলফামারীতে আলুর বাম্পার ফলনেও কৃষকের লোকসান

Sadek Ali
পায়েলুজ্জামান রকসি, নীলফামারী
প্রকাশিত: ২:৪৯ অপরাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৪:২৮ অপরাহ্ন, ০৫ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ও কৃষকদের সঠিক তদারকির মাধ্যমে চলতি সময়ে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে বাম্পার ফলনেও কৃষকদের লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছে। যা উৎপাদন খরচ মিলছে না।

সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের আলু চাষি আতিয়ার জানান, এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করে তুলনামূলক ভালো ফলন পেয়েছেন। প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৪৫ বস্তা (প্রতি বস্তা ৬০ কেজি) আলু উৎপাদন হয়েছে। প্রতি বস্তা ৩০০থেকে ৩৫০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে প্রতি বিঘায় ১৮ হাজার থেকে ১৯ হাজার টাকা পাওয়া গেলেও খরচ হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার টাকা। ধারদেনা ও নিজস্ব পুজি দিয়ে আলুর ভালো ফলন হওয়ার পরও দাম না থাকায় আলু যেন গলার কাটা হয়েছে ইউপি সদস্য হাবিবুল্লাহ মিয়ার। তিনি জানান, চলতি সময়ে আলুর দাম ৪/৫ টাকা (প্রতিকেজি) থাকায় লোকসানের মুখে তিনি। এদিকে আলুর বাজারে ধস দেখে আলু চাষে অনিহা কৃষকদের মাঝে। তবে অনেকের দাবি আলুর বাজারে শুরু থেকে সিন্ডিকেট কাজ করতেছে, তাই দ্রুত এসব সিন্ডিকেট দূর করে ন্যায্য দাম সরকারের প্রতি।

আরও পড়ুন: কৃষিজমি রক্ষায় কঠোর প্রশাসন, অভিযানে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা

নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, জেলায় এবার ২১ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। কিন্তু এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অর্জন হয়েছে ২২ হাজার ৮১২ হেক্টর জমি। এরমধ্যে আগামজাতের ৬ হাজার ২১২ হেক্টর জমির আলু ইতোমধ্যে ঘরে তুলেছে কৃষকরা। যার গড়ে ফলন হয়েছে ১৫ দশমিক ১২ মেট্রিক টন। যা গত বছরের তুলনায় এবার ৯৬২ হেক্টর জমির আলু বেশি হয়েছে। এবারে আলু উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১২ লাখ মেট্রিক টন।