গাজীপুরে নৈশ প্রহরীর বাড়িতে ডাকাতি, গৃহকর্ত্রীকে হত্যা
গাজীপুরে নৈশ্যপ্রহরী বাবা-ছেলের বাড়িতে ডাকাতরা হানা দিয়ে গৃহকর্ত্রীকে হত্যা করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে গাজীপুর সদর উপজেলার পিরুজালী মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহকর্ত্রীর নাম আসমা আক্তার (৫৫)। তিনি ওই গ্রামের আনিসুর রহমানের স্ত্রী।
আরও পড়ুন: বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ উপনির্বাচন ৯ এপ্রিল: কঠোর নিরাপত্তায় ভোট, ত্রিমুখী-বহুমুখী লড়াই
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গৃহকর্তা অনিসুর রহমান স্থানীয় একটি কারখানায় এবং তার ছেলে নাজমুল সাকিব পিরুজালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে নৈশ প্রহরীর চাকরি করেন। মঙ্গলবার রাতে তারা স্ব স্ব কর্মস্থলে ছিলেন। রাত ২টার দিকে একদল ডাকাত তাদের বাড়িতে হানা দেয়। তারা বাড়ির ভেতর প্রবেশ করলে টের পেয়ে গৃহকর্ত্রী আসমা আক্তার ও পুত্রবধু আরিফা বাঁধা দেয়। ডাকাতরা তাদের এলোপাতারি মারধর করে হাত পা বেধে রাখে নগদ টাকা ও স্বার্ণালংকারসহ অন্যান্য জিনিষপত্র লুট করে।
পুত্রবধূ আরিফা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, ডাকাতরা বাসায় প্রবেশ করে মারধর, ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে তাকে বেধে ফেলে। এসময় শাশুড়ি চিৎকার শুরু করলে ডাকাতরা তাকেও মারধর করে এবং গলায় গামছা পেঁচিয়ে খাটের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এতে এক পর্যায়ে তাঁর মৃত্যু হয়। পরে নগদ ৩ লাখ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য জিনিষপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: রাজাশনে বিদ্যুতের লাইনে আগুন, পুড়ে ছাই মুদি দোকানসহ ২ ফার্মেসি
সকালে গৃহকর্তা আনিসুর রহমান কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরে আসমাকে মৃত এবং আরিফাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। স্থানীয়রা আরিফাকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পুলিশ নিহত আসমাকে উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য একই হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
জয়দেবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নয়ন কর জানান, এটি ডাকাতি না অন্য কোনো ঘটনা তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।





