কসবা-আখাউড়ায় বহুদিনের স্বপ্ন বাস্তবায়ন: শুরু হচ্ছে দুটি মিনি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ

Sanchoy Biswas
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১:৪৬ অপরাহ্ন, ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪৫ অপরাহ্ন, ২৮ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা ও আখাউড়ায় দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র, শিশু ও যুবসমাজের স্বপ্নের মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নকে এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি একটি যুগান্তকারী দায়বদ্ধতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া, চেয়ারম্যান, ভূঁইয়া গ্লোবাল ফাউন্ডেশন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য, যিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসন থেকে বিএনপির ২০২৬ সালের প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী—তার আনুষ্ঠানিক আবেদনের পর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় কসবা ও আখাউড়ায় পৃথক দুটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

আরও পড়ুন: ঈদের দিনে কিশোরগঞ্জের সৈয়দ নজরুল মেডিকেলে ভেজাল নাস্তা খেয়ে রোগীরা আরও অসুস্থ

স্থানীয় যুবসমাজ এ উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। এলাকাবাসীর মতে, কবীর আহমেদ ভূঁইয়া এমপি না হয়েও দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন এবং বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।

ইতোমধ্যে কসবা-আখাউড়া অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বহু বছর ধরে স্থবির থাকা উন্নয়নধারা পুনরায় গতিশীল হবে বলে প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী। এর ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খেলাধুলার প্রসার এবং তরুণ সমাজের প্রতিভা বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

আরও পড়ুন: শ্রীপুরে রেল ব্রিজের নিচ থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া বলেন,

“বহুদিনের স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ, উন্নয়নের এই যাত্রায় আমরা সবাই একসঙ্গে আছি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অগ্রগতি থেমে নেই, থামবেও না—ইনশাআল্লাহ। আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল ব্রাহ্মণবাড়িয়া গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি শিশু, প্রতিটি তরুণ ও প্রতিটি পরিবার উন্নয়নের সমান অধিকার পাবে।”

তিনি আরও বলেন, জনগণের আস্থা ও যুবসমাজের শক্তিই ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

স্থানীয়রা আশা করছেন, মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ শেষ হলে এটি ক্রীড়া উন্নয়নের পাশাপাশি শিশু-কিশোর ও তরুণদের সামাজিক-সাংস্কৃতিক বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।