আশুলিয়ায় শ্রমিক সংগঠনের অফিসে হামলা, চাঁদা না পেয়ে নগদ টাকা লুটের অভিযোগ

Sanchoy Biswas
আশুলিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:৫৫ অপরাহ্ন, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকার আশুলিয়ায় একটি শ্রমিক সংগঠনের অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। চাঁদা না দেওয়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার বাইপাইল বগাবাড়ী এলাকার সমির সুপার মার্কেটে অবস্থিত জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ইউনিটি ও বাংলাদেশ প্রগতিশীল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সংগঠনের কর্মী দুলালী আক্তার ও আশুলিয়া থানা কমিটির সভাপতি নাজমুল হক আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

আরও পড়ুন: ১ লাখ ২০ হাজার টাকা লুটসহ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, গ্রেপ্তার সোহান

অভিযোগে বলা হয়, মামুন মন্ডল (৪৫) ও আব্দুস সালাম (৩৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জন দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ফরিদের কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, বুধবার (১৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ সংঘবদ্ধভাবে অফিসে প্রবেশ করে। তারা দুলালী আক্তারের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তছনছ করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে নাজমুল হকের ওপরও হামলা চালানো হয়। এ সময় তার কাছ থেকে নগদ ৭০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: হরিরামপুরে লাউতা জামি'আ ইবনে আব্বাস (রহ.) মাদ্রাসার উদ্যোগে ১০ম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

এছাড়া, চাঁদার টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

দুলালী আক্তার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তারা আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল। চাঁদা না দেওয়ায় অফিসে হামলা চালানো হয়েছে।

নাজমুল হক বলেন, অফিসে হামলার খবর পেয়ে গেলে আমাকে মারধর করা হয় এবং আমার কাছে থাকা ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

কেন্দ্রীয় সভাপতি ফরিদুল ইসলাম ফরিদ বলেন, কিছুদিন ধরে মামুন নামের ওই ব্যক্তি আমার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিল। চাঁদা না দেওয়ায় অফিসে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।