চট্টগ্রামে জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, দিনে ৪–৫ ঘণ্টা লোডশেডিং

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে ১০টিই বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এর ফলে বন্দরনগরীর বিভিন্ন এলাকায় দিনে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে, যার প্রভাবে দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট।

চট্টগ্রাম সিস্টেম কন্ট্রোল (স্কাডা) সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১১টায় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ২৯১ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১ হাজার ২০০ দশমিক ৭০ মেগাওয়াট। ফলে দিনের শুরুতেই প্রায় ৯১ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়। সন্ধ্যায় উৎপাদন কিছুটা বাড়লেও উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি বড় অংশ জাতীয় গ্রিডে চলে যাওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে সংকট থেকে যায়।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম বন্দরে প্রশাসনিক সংস্কার: ২ বছরে মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অভূতপূর্ব সাফল্য

জ্বালানি সংকটে বর্তমানে রাউজান, মাতারবাড়ি, জুলধা, কাপ্তাইসহ বেশ কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। এতে করে বিদ্যুৎ সরবরাহ মূলত বাঁশখালী এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট ও শিকলবাহা কেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

চকবাজার, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদ, হালিশহর ও বাকলিয়াসহ নগরের বিভিন্ন এলাকায় ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে তা ফিরতে সময় লাগছে দুই থেকে তিন ঘণ্টা। বিদ্যুৎ না থাকায় ওয়াসার পানি সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে, ফলে অনেক এলাকায় পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: বাঁশখালীতে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে ‘নিরাপদ সড়ক আন্দোলন’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, তীব্র গরমে বিদ্যুৎ ও পানির সংকটে স্বাভাবিক জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।