ফেনীতে ১,৫৪৩ কোটি টাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, কাজ শেষ হবে ২০৩০ সালে

Sanchoy Biswas
সুরঞ্জিত নাগ, ফেনী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৫:৪২ অপরাহ্ন, ২৬ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৫:৪২ অপরাহ্ন, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তবে এখনই সরকারের কার্যক্রমকে ‘জিরো টলারেন্স’ বলা যাবে না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফেনীর পরশুরামে মুহুরী নদীর তীরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও মুহুরী ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন: কথাকাটাকাটির জেরে বন্ধুর শিশুসন্তানকে হত্যা

শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘১৭ বছর ধরে দুর্নীতি-দুঃশাসনের একটি ট্রেন্ড তৈরি হয়েছিল। জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে। আমরা দায়িত্ব নিয়ে দেশ পরিচালনা করছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে এখনই একে জিরো টলারেন্স বলা যাবে না।’

তিনি বলেন, ফেনীর এ অঞ্চলের মানুষ প্রতি বর্ষায় বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন। মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর তীরের বাঁধগুলো দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়েছে। এ সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানে ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকার একটি সমন্বিত প্রকল্প নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর উদ্যোগে জশনে জুলুসে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দঃ) পালিত

মন্ত্রী জানান, প্রকল্পটি ইতোমধ্যে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পেয়েছে। চলতি বছরই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। ২০৩০ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল এই প্রকল্প। আমরা ইতোমধ্যে একনেকে প্রকল্পটি পাস করেছি। চলতি বছর কাজ শুরু হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।’

এদিকে প্রতি বর্ষায় ভারতের উজান থেকে পানি ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পানি সম্পদ মন্ত্রী বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত আগ্রাসনের মানসিকতা থেকে দূরে থাকবে বলে তারা আশা করেন।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রী ফেনীর এ এলাকায় সফরে আসবেন।

পরিদর্শনকালে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদারসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা এবং বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।