সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম: সেনাপ্রধান

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:২৫ অপরাহ্ন, ১৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৭:৫১ অপরাহ্ন, ১৮ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সামরিক জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম বলে মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: প্রতিটি থানা এলাকায় অপরাধ প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

সেনাপ্রধান বলেন, মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ সেনাবাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। এ বাহিনীর নেতৃত্বের দায়িত্ব মূলত অফিসারদের ওপর বর্তায়।

তিনি আরও জানান, যোগ্য, মেধাবী ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন অফিসার তৈরির লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

আরও পড়ুন: বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন নিয়ে বিভ্রান্তি, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন ইস্যু জেআরডিতে অন্তর্ভুক্ত

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, পরিবর্তিত বিশ্ব বাস্তবতায় সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের জন্য বিভিন্ন বাস্তবমুখী ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এই উদ্যোগ আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ শেষে ৯০তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের ১৮৪ জন অফিসার ক্যাডেট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। এর মধ্যে ১৬৬ জন পুরুষ ও ১৮ জন নারী ক্যাডেট রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিন, তানজানিয়া, জাম্বিয়া ও মালদ্বীপের চারজন বিদেশি ক্যাডেটও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে নিজ নিজ দেশের সেনাবাহিনীতে যোগদান করবেন।