জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ভোটের দিনে দূরপাল্লার যান চলাচলে ছাড়, বন্ধ থাকবে মোটরসাইকেল

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:০০ অপরাহ্ন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১:০০ অপরাহ্ন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সারা দেশে যান চলাচলে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনার ভিত্তিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ভোটের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি টানা ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত। এ ছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর আরও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত, মোট ৭২ ঘণ্টা সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে।

আরও পড়ুন: ডিএনসিসির নতুন প্রশাসক সুরাইয়া আখতার জাহান

তবে ভোটের দিন যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না করতে প্রজ্ঞাপনে বেশ কিছু ক্ষেত্রে শিথিলতা রাখা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যানবাহন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চলাচলের জন্য ব্যবহৃত যানবাহনের ক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হবে না।

একইভাবে বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের জন্যও বিশেষ ছাড় রাখা হয়েছে। পাসপোর্ট ও বিমান টিকিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না।

আরও পড়ুন: ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ অপসারণ

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অনুমতিপ্রাপ্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে এসব নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। পাশাপাশি জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, চিকিৎসা ও ওষুধ পরিবহন, সংবাদপত্র বহনকারী যান এবং টেলিযোগাযোগ সেবা সচল রাখতে ব্যবহৃত যানবাহন চলাচলের সুযোগ পাবে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীরা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি ও নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট যানবাহন (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরাও নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমোদন পেলে যানবাহন কিংবা মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী এই বিধিনিষেধ আরও কঠোর করতে কিংবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জরুরি ও প্রয়োজনীয় যোগাযোগ সচল রাখাই এসব বিধিনিষেধের মূল উদ্দেশ্য।