রিকশা ও অটোরিকশা লাইসেন্স ও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে: ডিএসসিসি প্রশাসক

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:০০ অপরাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৭:০০ অপরাহ্ন, ০২ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীতে রিকশা, অটোরিকশা ও ভ্যান চলাচল বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তবে নগর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে এসব যানবাহনকে লাইসেন্স ও নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

সোমবার (১ জুন) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রিকশা, ভ্যান ও অটোচালক দল আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ঢাবি ক্যাম্পাসে ডিএসসিসির ৫০০ গাছের চারা রোপণ, সবুজ নগর গড়ার আহ্বান

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকার পরিবহনব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনা জরুরি। রিকশা বা অটোরিকশা বন্ধ নয়, বরং এগুলোকে নিয়মের মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। হকারদের মতোই এসব যানবাহনকেও নিবন্ধন ও ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, যে কেউ যেকোনো এলাকায় গিয়ে রিকশা চালালে তা শৃঙ্খলার পরিপন্থী। তাই নির্দিষ্ট এলাকার ভিত্তিতে লাইসেন্স ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে পরিবহন ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ আনা যায়।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপির ওপর হামলার অভিযোগ

আবদুস সালাম জানান, লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হলে যানজট নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে এবং চালকদের পরিচয় ও কার্যক্রম সুনির্দিষ্ট থাকবে।

ব্যাটারিচালিত রিকশার নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব যানবাহনের ব্রেকিং ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। তাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করে কীভাবে এগুলো পরিচালনা করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের নির্দেশনা হলো— রিকশা, ভ্যান ও অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহকারীদের উচ্ছেদ না করা। তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে।

সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় ইলেকট্রনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ও স্বয়ংক্রিয় জরিমানার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, একই ধরনের ব্যবস্থা রিকশা ও অটোরিকশার ক্ষেত্রেও চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে চালক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আশফাকুল ইসলাম মনু। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এ ছাড়া বিএনপির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপুসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।