কোটি টাকার ইয়াবাসহ ভাটারায় মা-ছেলে গ্রেপ্তার

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ১০:১৭ পূর্বাহ্ন, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর ভাটারায় একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ ঘটনায় মালা বেগম (৬২) ও তাঁর ছেলে মামুন চোকদারকে (৩৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি দুই লাখ টাকা বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে ভাটারা থানার ছোলমাইদ এলাকার ঢালিবাড়ী কাঁচাবাজারসংলগ্ন একটি ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়ে থাকতেন মালা বেগম।

আরও পড়ুন: ঢাকার ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় যুবক আটক, দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফের নির্দেশনায় এবং ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ) কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আনোয়ার হোসেনের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়। পরিদর্শক মো. ফজলুল হক খানের নেতৃত্বে একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে যায়।

সংস্থাটির বিবরণ অনুযায়ী, নিরপেক্ষ দুই সাক্ষীর উপস্থিতিতে ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় পশ্চিম পাশের একটি কক্ষে রাখা চালের ড্রামের ভেতর থেকে কফি রঙের কাপড়ের একটি ব্যাগ পাওয়া যায়। ব্যাগে কাগজ ও স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ১৭টি প্যাকেটে ৩৪ হাজার পিস ইয়াবা ছিল। এসব মাদকের মোট ওজন ৩ দশমিক ৪০ কেজি। রাত ৯টা ২০ মিনিটে ইয়াবাগুলো জব্দ করা হয়।

আরও পড়ুন: সাবেক এমপি সালাউদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে ডিএসসিসি প্রশাসকের শোক

অভিযানের সময় বাসায় থাকা মালা বেগম ও মামুন চোকদারকে গ্রেপ্তার করা হলেও মামলার আরেক আসামি সাহিদা বেগম ইতি (৪৮) সেখানে ছিলেন না। ফলে তাঁকে আটক করা যায়নি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন ইয়াবাগুলোর মালিক হিসেবে সাহিদা বেগম ইতির নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সাহিদা কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে মালা বেগমের বাসায় মজুত রাখতেন। পরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী, সাইনবোর্ড এবং টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব মাদক সরবরাহ করা হতো বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এ ঘটনায় মালা বেগম, মামুন চোকদার ও পলাতক সাহিদা বেগম ইতির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ভাটারা থানায় মামলা করা হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম চালানো হবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।