প্রতি বিষয়ে পাঁচ ঘণ্টা হবে ফাইনাল পরীক্ষা
জুন থেকে নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে প্রতি বিষয়ে পাঁচ ঘণ্টা করে ফাইনাল পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি। এর জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে খসড়া তৈরি করা হয়েছে।
খসড়া অনুযায়ী, প্রতিটি বিষয়ে মিড টার্ম ও বার্ষিকের মতো চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে পাঁচ ঘণ্টার। এই সময়ে ছয়টি সেশন হবে। প্রথম চার ঘণ্টা ব্যবহারিক ও এক ঘণ্টা তত্ত্বীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তত্ত্বীয় পরীক্ষার মূল্যায়ন করবে শিক্ষা বোর্ড। পাঁচ ঘণ্টার এই সেশনগুলোতে একজন শিক্ষার্থীকে দলগতভাবে কাজ করতে হবে।
আরও পড়ুন: ঢাবির ফলাফল ওয়েবসাইটে ম্যালওয়্যার আক্রমণের অভিযোগ, তদন্তে আইসিটি বিভাগ
আবার প্রত্যেককে এককভাবে ব্যবহারিক কাজও করতে হবে। চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণির পরীক্ষা বা মূল্যায়ন কেন্দ্র হবে শিক্ষার্থীর নিজ প্রতিষ্ঠানেই। আর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার জন্য যেতে হবে নিজ স্কুলের বাইরের ভিন্ন কেন্দ্রে। আগামী জুন মাস এই মুল্যায়ন পদ্ধতি চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী, শুধু দশম শ্রেণির সিলেবাসের ভিত্তিতে এসএসসি পরীক্ষা হবে। আর একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাসের ভিত্তিতে এইচএসসি পর্যায়ে দুইটি পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন: ঢাবি-চীনের এসসিএসআইও’র মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই, সামুদ্রিক গবেষণায় জোরদার সহযোগিতা
এ বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক মশিউজ্জামান জানান, পরীক্ষার জন্য মার্কিং সিস্টেম থাকবে না। মূল্যায়নকারীরা ফলাফলকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করবে। চতুর্থ শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছরের জন্য মিডটার্ম এবং ফাইনাল পরীক্ষা হবে। এসএসসি এবং এইচএসসি শিক্ষার্থীদের শুধু চূড়ান্ত পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হবে।
তিনি বলেন, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন নিয়ে অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদ নিয়ে আমরা এই খসড়া তৈরি করেছি। এটি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনে উত্থাপন করেছি। তারা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।





