মায়ের সঙ্গে দুর্গাপ্রতিমা সাজানোই ছিল শৈশবের পূজার আনন্দ: মন্দিরা চক্রবর্তী

Shahrier Islam Pallab
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ৯:৪৭ অপরাহ্ন, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৯:৪৮ অপরাহ্ন, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

শৈশবের দুর্গাপূজা মানেই অন্য রকম আনন্দ, উচ্ছ্বাস আর অসংখ্য মধুর স্মৃতি। সময়ের সঙ্গে বদলে যায় উৎসব উদ্‌যাপনের ধরন, তবে ছোটবেলার সেই ভালো লাগাগুলো থেকে যায় মনের গভীরে। চিত্রনায়িকা মন্দিরা চক্রবর্তীর কাছেও দুর্গাপূজা মানেই গ্রামের বাড়ির স্মৃতি আর মায়ের সঙ্গে প্রতিমা সাজানোর আনন্দ।

শৈশবে প্রতিবছর দুর্গাপূজার সময় গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতেন মন্দিরা। বিশেষ করে দুর্গাপ্রতিমা তৈরির পর সাজসজ্জার পর্বটি ছিল তাঁর কাছে সবচেয়ে আনন্দের। মা যখন প্রতিমাকে শাড়ি ও গয়না দিয়ে সাজাতেন, তখন মন্দিরাও পাশে থেকে সাহায্য করতেন। ছোটবেলার সেই মুহূর্তগুলোই আজও তাঁর স্মৃতিতে বিশেষ জায়গা দখল করে আছে।

আরও পড়ুন: ৭০টি পর্যন্ত বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছেন আয়েশা

এক সাক্ষাৎকারে মন্দিরা বলেন, ‘প্রতিবছর গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকতাম; বিশেষ করে যখন দুর্গা প্রতিমা গড়া হতো। ওই সময় আমার মা প্রতিমাকে গয়না, শাড়ি পরাতেন। সে কাজে আমার মাকে সাহায্য করতাম। আর এই কাজটি ছিল সবচেয়ে ভালো লাগার। তাই অপেক্ষায় থাকতাম, কখন প্রতিমা সাজানো হবে।’

শৈশবের সেই স্মৃতির পাশাপাশি বর্তমানেও দুর্গাপূজার নানা আয়োজন উপভোগ করেন এই অভিনেত্রী। জগন্নাথ হলের পাশের মেলায় ঘুরে বেড়ানো তাঁর পছন্দের একটি বিষয়। তবে পূজার সব আয়োজনের মধ্যে প্রতিমার শৈল্পিক সৌন্দর্যই তাঁকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে। প্রতিমার গড়ন, সাজসজ্জা এবং এর মধ্য দিয়ে প্রকাশিত শক্তির প্রতীকী রূপ মুগ্ধ করে তাঁকে।

আরও পড়ুন: স্পটিফাইয়ে নতুন রেকর্ড বিটিএসের

শুধু মন্দিরা নন, শৈশবের দুর্গাপূজার স্মৃতি আজও আগলে রেখেছেন বিনোদনজগতের আরও অনেক তারকা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কণ্ঠশিল্পী বাপ্পা মজুমদার, বাঁধন সরকার পূজা এবং অভিনেতা মনোজ প্রামাণিক ও ইয়াশ রোহান।

সময়ের পরিবর্তনে পূজার আয়োজন ও আনন্দ উদ্‌যাপনের ধরন বদলেছে। তবু শৈশবের সেই দিনগুলোর স্মৃতি তারকাদের কাছে আজও সমান আবেগের। পুরোনো দিনের মধুর মুহূর্তগুলোকে সঙ্গে নিয়েই তাঁরা এবারের দুর্গাপূজা রাঙিয়ে তুলতে চান নতুন আনন্দে। তাঁদের কাছে পূজা কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং প্রিয়জনদের সান্নিধ্য, পারিবারিক বন্ধন আর ফেলে আসা দিনের স্মৃতি ফিরে দেখারও উপলক্ষ।