আনার হত্যা মামলার আসামি শিমুল জামিন পেলেন হাইকোর্টে

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, ০৯ জুন ২০২৬ | আপডেট: ২:১৮ অপরাহ্ন, ০২ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আমানুল্লা সাঈদ ওরফে শিমুল ভূঁইয়াকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তার জামিনসংক্রান্ত বিষয়ে একটি রুল জারি করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালত সূত্র জানায়, কারাগারে থাকা শিমুল ভূঁইয়ার করা জামিন আবেদন শুনানি শেষে তাকে সাময়িক জামিন দেওয়া হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শাপলা চত্বরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় লতিফ সিদ্দিকী কারাগারে

বহুল আলোচিত এই মামলার তদন্তে উঠে আসে, ২০২৪ সালের মে মাসে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ভারতের কলকাতায় গিয়ে নিখোঁজ হন তৎকালীন সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার। পরে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে তাকে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে খণ্ড-বিখণ্ড করা হয়।

ঘটনার পর ২২ মে ঢাকার শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। মামলাটি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের তদন্ত সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে।

আরও পড়ুন: এমপি সরোয়ার আলমগীরের সংসদে যোগদানে বাধা নেই: আপিল বিভাগ

তদন্তের একপর্যায়ে ২০২৪ সালের ৫ জুন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আমানুল্লা সাঈদ। তদন্ত নথি অনুযায়ী, তিনি শিমুল ভূঁইয়া, শিহাব এবং ফজল মোহাম্মদ ভূঁইয়া নামেও পরিচিত। জবানবন্দি রেকর্ডের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছিলেন, ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শিমুল ভূঁইয়া ছাড়াও তানভীর ভূঁইয়া ও সেলেস্টি রহমানের নাম প্রকাশ করা হয়।

সীমান্ত পেরিয়ে সংঘটিত এই হত্যাকাণ্ড দুই দেশেই ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বর্তমানে মামলাটি বিচারিক কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে।