পেশী গঠনে যে খাবারগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে

Any Akter
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: ৫:৫৪ অপরাহ্ন, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৭:২০ অপরাহ্ন, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বেশিরভাগ মানুষই মনে করেন পেশী তৈরি মানেই ভারোত্তলন বা কঠোর ওয়ার্কআউট। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি গল্পের মাত্র অর্ধেক অংশ। পেশী বৃদ্ধির ক্ষেত্রে জিমের বাইরের বিষয়গুলো—বিশেষ করে দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাস—সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ওয়ার্কআউটের আগে ও পরে এবং সারাদিন আপনি কী খাচ্ছেন, তার ওপরই নির্ভর করে আপনার পেশী কত দ্রুত বৃদ্ধি পাবে। পেশী প্রোটিন সংশ্লেষণকে কার্যকরভাবে জ্বালানি দিতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, সঠিক কার্বোহাইড্রেট ও প্রয়োজনীয় মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট। এগুলোই মূলত পেশী বৃদ্ধি ও মেরামতের পেছনের চালিকাশক্তি।

আরও পড়ুন: মটরশুঁটি খেলে যে ৫টি উপকার পাওয়া যায়

এমন কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলো নিয়মিত ডায়েটে রাখলে পেশী গঠন আরও সহজ হয়—

মুরগির বুকের মাংস

আরও পড়ুন: পেয়ারা খোসাসহ নাকি ছাড়া খাবেন? জানুন উপকারিতা ও সতর্কতা

মুরগির বুকের মাংস প্রোটিনে সমৃদ্ধ এবং এতে চর্বির পরিমাণ খুবই কম। যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন, এটি পেশী তৈরির জন্য উপকারী। জিমের আগে বা পরে মুরগির বুকের মাংস খেলে পেশীর পুনর্গঠনে সহায়তা করে। বাদামী চাল বা মিষ্টি আলুর সঙ্গে খেলে দ্রুত শক্তি ফিরে পাওয়া যায়।

টক দই

টক দই প্রোটিনের একটি চমৎকার উৎস। এতে হুই ও কেসিন—দুই ধরনের প্রোটিনই থাকায় পেশী দীর্ঘ সময় ধরে প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড পায়। ব্যায়ামের পর বা ঘুমানোর আগে টক দই খাওয়া উপকারী। স্বাদ বাড়াতে এতে ফল, বাদাম বা সামান্য মধু যোগ করা যেতে পারে।

ডিম

ডিম পেশী গঠনের জন্য অন্যতম সেরা খাবার। এতে রয়েছে পেশীর জন্য প্রয়োজনীয় সব অ্যামাইনো অ্যাসিডের পাশাপাশি ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি ও স্বাস্থ্যকর চর্বি। সেদ্ধ, পোচ বা ভাজা—যেভাবেই খান না কেন, পুরো ডিমই পেশী বৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে কার্যকর, কারণ কুসুমের পুষ্টিগুণ প্রোটিন শোষণে সহায়তা করে।

বাদাম ও বীজ

বাদাম ও বীজে রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং ম্যাগনেসিয়াম, যা পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো সরাসরি বেশি প্রোটিন না দিলেও দীর্ঘস্থায়ী শক্তি ও প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায়। খাবারের ফাঁকে বা জিমের পর নাস্তা হিসেবে এক মুঠো বাদাম খাওয়া যেতে পারে। এছাড়া দই, ওটমিল বা হোল গ্রেইন টোস্টের সঙ্গে পিনাট বাটারও ভালো বিকল্প।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি সঠিক খাদ্যাভ্যাসই সুস্থ ও শক্তিশালী পেশী গঠনের মূল চাবিকাঠি।