বিরোধী দলের নামের তালিকা পেলেই সংবিধান সংশোধনে এগোবে সরকার: আইনমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৩:৪৮ অপরাহ্ন, ৩১ মে ২০২৬ | আপডেট: ৫:০৫ অপরাহ্ন, ৩১ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের নামের তালিকা পাওয়া গেলে সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে ‘জুলাই সনদ’-এর আলোকে সরকার পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান।

রোববার (৩১ মে) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা পরিষদের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: নতুন পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব

আইনমন্ত্রী জানান, সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ কমিটিতে সরকারের পক্ষ থেকে সাতজন এবং স্বতন্ত্র প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে পাঁচজনকে রাখা হয়েছে। বাকি পাঁচজন সদস্যের নাম বিরোধী দলের কাছ থেকে চাওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “সংসদের শেষ অধিবেশনের আগে আমরা বিরোধী দলকে তাদের প্রতিনিধিদের নাম দিতে বলেছিলাম। তারা জানিয়েছে, পরবর্তী অধিবেশনে এ বিষয়ে জানাবে। আমরা তাদের তালিকার অপেক্ষায় আছি। নাম পেলেই সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে জুলাই সনদের পথ ধরে এগিয়ে যাব।”

আরও পড়ুন: ‘বিয়ের পাত্র খুঁজছি এখনও, পেলে আবার প্রেম করব’: বাঁধন

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা অধ্যাদেশগুলো সংসদে উপস্থাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, সেগুলো বাতিল করা হয়নি; বরং আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আপাতত উপস্থাপন করা হয়নি।

তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম কমিশন আইন নিয়ে প্রথম ধাপের পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগুলো দ্রুত সামনে আনার চেষ্টা করা হবে।”

রাজধানীর মিরপুরে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার তার দায়িত্বের অংশ হিসেবে দ্রুত তদন্ত ও চার্জশিট দাখিলের ব্যবস্থা করেছে।

তিনি বলেন, “আমরা বলেছিলাম এক সপ্তাহের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হবে। আলহামদুলিল্লাহ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এখন বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। আদালতকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।”

আইনমন্ত্রী আরও জানান, সোমবার আদালত খোলার পর প্রথম দিনেই মামলাটি শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির ভিত্তিতে আদালত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবেন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়টি বিবেচনা করবেন।