দেশ পুনর্গঠনই এখন বিএনপির প্রধান লক্ষ্য: তারেক রহমান

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:১৬ অপরাহ্ন, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন এবং রাষ্ট্র পুনর্গঠনই বর্তমানে বিএনপির প্রধান লক্ষ্য।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিরপুর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ডের লাল মাঠ ময়দানে নির্বাচনি পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।

আরও পড়ুন: সোমবার সারা দেশে শোক দিবস পালন করবে বিএনপি

তারেক রহমান বলেন, “রাজনীতির ময়দানে কেবল বিপক্ষ দলের সমালোচনা বা গীবত করা জনগণের কোনো উপকারে আসবে না। বরং জনগণের মঙ্গলে কাজ করাই প্রকৃত রাজনৈতিক লক্ষ্য।”

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই পথসভায় তিনি দেশের মানুষের জন্য একগুচ্ছ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুরক্ষার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী ব্যক্তিগত চিকিৎসক

চেয়ারম্যান জানান, বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে এবং ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে।

ঢাকা-১৬ আসনের স্থানীয় সমস্যা সমাধানের বিষয়ে তিনি বলেন, “এই এলাকার মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। বেকারত্ব দূরীকরণে যারা কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশে যেতে চান, তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

দেশের পানি সংকট ও রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিয়ে তার পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি জানান, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে সারাদেশে ব্যাপকহারে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে। বিশেষ করে ঢাকার হারিয়ে যাওয়া খালগুলো উদ্ধার ও খননকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।”

নিরাপত্তা ও সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা এবং আইনশৃঙ্খলা সুনিশ্চিত করা হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিএনপি ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে।”

বক্তৃতার শেষ পর্যায়ে তারেক রহমান আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমাদের কাছে সবার আগে দেশ। যেকোনো মূল্যে দেশকে গড়ে তুলতে হবে এবং মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।”

পল্লবীর এই পথসভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।