বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির জয়

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:১৩ পূর্বাহ্ন, ১০ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১০:০২ পূর্বাহ্ন, ১০ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নানা অভিযোগ ও আংশিক বর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। দুই আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। বগুড়া-৬ আসনে রেজাউল করিম বাদশা এবং শেরপুর-৩ আসনে মাহমুদুল হক রুবেল বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে স্থগিত হওয়া ভোটগ্রহণ সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। বড় কোনো সহিংসতা না ঘটলেও বিচ্ছিন্ন কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠে।

আরও পড়ুন: সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু শুক্রবার

বেলা ১১টার দিকে শ্রীবরদীর লংপাড়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে জাল ভোটের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়। এছাড়া আরেকটি কেন্দ্রে একই অভিযোগে দুই বিএনপি কর্মীকে আটক করা হয়। শ্রীবরদী সরকারি কলেজ এলাকায় বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে গিয়ে দুই পুলিশ সদস্য আহত হন।

এদিকে, অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিকেলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন জামায়াত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে জালভোট ও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

আরও পড়ুন: জামায়াতকর্মী সাওদা সুমি মুক্ত

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, নির্বাচন ছিল শান্তিপূর্ণ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজিরবিহীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। তিনি দাবি করেন, নিশ্চিত পরাজয় জেনেই জামায়াত নির্বাচন বর্জন করেছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নির্বাচন বর্জনের বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ তারা পাননি।

শেরপুর-৩ আসনের ফলাফল

এ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট।

বগুড়া-৬ আসনে বিএনপির বড় জয়

বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনেও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশা। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫১৬ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৯৪ ভোট।

ভোটগ্রহণ চলাকালে দুটি কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে একটি কেন্দ্রে ফলাফল শিটে আগাম স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। পরে সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং তাকে সতর্ক করা হয়।

নির্বাচন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।