নরসিংদীতে ১৭ মামলার আসামি গ্রেফতার, অস্ত্র–মাদক ও গানপাউডার উদ্ধার

Sanchoy Biswas
আশিকুর রহমান, নরসিংদী
প্রকাশিত: ৮:৫৪ অপরাহ্ন, ১৮ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ৬:৩০ পূর্বাহ্ন, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নরসিংদীর রায়পুরা থেকে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার পলাতক আসামি তৈয়বকে তার দুই সহযোগীসহ গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কায়েস আকন্দ গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা বদলালেও বদলায়নি সিটিজেন চার্টার: নেই কার্যকর মোবাইল-ইমেইল

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে তৈয়বুর রহমান ওরফে তৈয়ব (২৫), একই গ্রামের রুসমত আলীর ছেলে সেলিম মিয়া (২৪) ও করিমগঞ্জ গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে শিপন মিয়া (২০)। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ৭০ পিস ইয়াবা ও বিপুল পরিমাণ গানপাউডার উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবির ওসি আবুল কায়েস আকন্দের নেতৃত্বে উপপরিদর্শক জামিরুল ইসলাম, মোবারক হোসেন, ওবায়দুল্লাহ ও সহকারী উপপরিদর্শক দীপক কুমার সাহা সহ সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত ডিবির একটি দল রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি গ্রামের খাদিজা বেগম নামে এক মহিলার পরিত্যক্ত দোচালা একটি ঘরের ভিতর অভিযান চালিয়ে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার পলাতক আসামি তৈয়ব ও তার দুই সহযোগীকে হাতেনাতে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট ও হাতবোমা তৈরির গানপাউডার উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন: আশুলিয়া এসিল্যান্ড অফিসে নিরাপত্তা প্রহরীর নিয়ন্ত্রণে দাপ্তরিক কাজ

ডিবির ওসি আবুল কায়েস আকন্দ বাংলাবাজার পত্রিকাকে বলেন, গ্রেফতারকৃত তৈয়বুর রহমান ওরফে তৈয়ব পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে ৪টি হত্যা, অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন থানায় প্রায় ১৭টি মামলা রয়েছে। তাকে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট দীর্ঘদিন ধরে নজরদারিতে ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল হান্নানের নির্দেশে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অবৈধ অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলেও তিনি জানান।

পরে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।