ভোটকেন্দ্রে কন্যা সন্তানের জন্ম, নাম রাখা হলো ‘খালেদা’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনে সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ভোটকেন্দ্রে কন্যাসন্তানের জন্মের ঘটনা এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। সেদিন সকালে পাঙ্গাসী ইউনিয়নের বেঙনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এক গর্ভবতী মা প্রসববেদনা অনুভব করেন। পরে ভোটকেন্দ্রেই জন্ম নেয় নবজাতক কন্যাশিশু।
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে শিশুটির নাম রাখা হয় ‘খালেদা’। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
আরও পড়ুন: ফতেহপুর জামশেদীয়া দরবার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন
জানা যায়, উপজেলার বেঙনাই পশ্চিমপাড়া গ্রামের শরীফুল ইসলামের স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন (৩৫) ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেখানে প্রসববেদনা অনুভব করার পরই জন্ম হয় কন্যাশিশু খালেদার।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বেঙনাই গ্রামে নবজাতকের বাড়িতে যান। তিনি শিশুর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং প্রসূতি মা ও নবজাতকের জন্য নগদ অর্থ ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন। পাশাপাশি মায়ের হাতে বাঁধাই করা একটি ইউনিক নম্বর সম্বলিত জন্মসনদ তুলে দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: গরু কাটার ‘খাইট্টায়’ কাস্টমস কর্মীর মরদেহ ১৫ টুকরো, গ্রেপ্তার ২
জেলা প্রশাসক বলেন, একটি প্রত্যন্ত গ্রামে ভোট দিতে এসে এক গর্ভবতী মা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন—এটি প্রমাণ করে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগে অংশ নিয়েছেন। এই ঘটনা যেমন আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, তেমনি এটি ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে।
মা আম্বিয়া খাতুন বলেন, ভোটের দিন আমার কন্যা সন্তানের জন্ম হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিকে স্মরণ করে মেয়ের নাম রেখেছি খালেদা। আজ প্রশাসনের লোকজন আমাদের দেখতে এসেছিল।
এ সময় সিরাজগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নুরুল আমীন, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক মো. কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল খালেক পাটোয়ারীসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





