নরসিংদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পাওয়া গেলে গ্রেনেড

Sadek Ali
আশিকুর রহমান, নরসিংদী
প্রকাশিত: ৫:০৩ পূর্বাহ্ন, ০৪ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৫:০৩ পূর্বাহ্ন, ০৪ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নরসিংদীর মনোহরদীতে বিলে মাছ ধরতে গিয়ে পাওয়া গেলো গ্রেনেড। 

গত সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে উপজেলার দিগাকান্দি গ্রামের দুয়ার বিলে মাছ ধরতে গিয়ে  গ্রেনেড সাদৃশ্য বস্তুটি পান স্থানীয় শিখা বেগম নামে এক নারী। 

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় প্রাইমারি ফেন্ডস ক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সেমাবার বিকেলে উপজেলার শুকুন্দী ইউনিয়নের দিগাকান্দি গ্রামের দুয়ার বিলে মাছ ধরতে নামেন শিশুরা।  বিকেল বেলা এক শিশুকে তার মা শিখা বেগম  বিল থেকে আনতে যায়। এসময় ওই নারীর পায়ের নিচে একটি ভারি বস্তু অনুভূত হয়। পরে তিনি ওই বস্তুটি পানির নিচ থেকে তুলে বিলের ধারে নিয়ে আসেন। বস্তুটি তিনি ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে বাড়ি নিয়ে আসলে আশপাশের  মানুষের মধ্যে কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। ছোট্ট শিশুরাও মনের আনন্দে বস্তুটি নিয়ে খেলাধুলা শুরু করে। পরে ওই বস্তুুটি দেখে এলাকাবাসীর মনে সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় একব্যক্তি ৯৯৯ এর মাধ্যমে বিষয়টি মনোহরদী থানা পুলিশকে অবহিত করেন। থানার ওসির নির্দেশে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পুলিশ সেখানে গিয়ে দেখে বস্তুটি পুরাতন জং ধরা গ্রেনেড সদৃশ বস্তু। পুলিশ সাথে সাথে থানার উর্ধতন কর্মকর্তাকে ঘটনাটি অবহিত করে। পরে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি পুলিশ হেফাজতে নিয়ে পানির নিচে রাখা হয় এবং বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঢাকাকে অবহিত করা হয়।

এ ব্যাপারে শিখা বেগম জানান, বাচ্চারা মাছ ধরতে বিলে নামে, তাদের আনতে আমি বিকেলে বিলে যায়। বিলের পানিতে পা দিতেই শক্ত কিছু একটা আমার পায়ে লাগে, পরে তা উঠিয়ে দেখি ভারি লোহার মত কিছু একটি। প্রথমে ভেবেছি গুপ্তধন। তবে লোহা যেহেতু, বাড়ি নিয়ে যায়, বিক্রি করতে পারবো। এ ভেবেই আমি বাড়ি নিয়ে আসি, এর চেয়ে বেশী কিছু আমি জানিনা। পরে এলাকার কয়েকজন এটা দেখে গ্রেনেড বলতে থাকে। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে এটা নিয়ে যায়। 

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় টিবিএফের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

এ বিষয়ে মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে গ্রেনেড সদৃশ বস্তুটি উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে পানির নিচে রাখা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বোম ডিসপোজাল ইউনিট ঢাকাকে অবহিত করা হয়। টিম আসার পর বিস্তারিত বলা যাবে।